খুলনায় রাজু হাওলাদার নামে এক যুবককে দুর্বৃত্তরা গুলি করে আহত করেছে। এ ঘটনার সময় তার পেটে বলিষ্ঠ গুলি বিদ্ধ হয়। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৪ এপ্রিল) মহানগরীর লবণচরা থানাধীন কোবা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায়। যদিও কেউ সঠিক সময় নিশ্চিত করতে পারেননি।
রাজু হাওলাদারের সঙ্গে থাকা এক নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, আহত যুবক তার ছেলের বন্ধু। আহত অবস্থায় তাকে তার পরিবারের কাছে আনা হয় এবং চিকিৎসার জন্য এখানেই নেয়া হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজু হাওলাদার লবণচরা থানাধীন শিপইয়ার্ড এলাকার আজাদ মাস্টার সংলগ্ন ইউনুস হাওলাদারের ছেলে।
অন্ততঃ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা मेडिकल কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তার পরিচয় ও পরিস্থিতি জানাজানি হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় ঢাকায় যেতে যাওয়ার পথে রাত সাড়ে ১২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা আবারও গুলি চালায়।
এসময় অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক দ্রুত গাড়ি কাঁটাখালী হাইওয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। পরে হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় তাঁরা ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেন। মো. ফারুক বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকার পথে যাওয়ার সময় কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। গুলির আওয়াজ শুনে তিনি দ্রুত থানায় আশ্রয় নেন।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ জানান, গুলিবিদ্ধ এক রোগীকে ঢাকায় নেয়া যাত্রাপথে দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্সে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাঁরা থানার সহায়তায় সেফলি গাড়িটি নিরাপদভাবে সীমানা পার করে দেয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ ওই যুবককে খুমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। তার সঙ্গে থাকা একটি নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, আহত ব্যক্তি তার ছেলের বন্ধু। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে তাদের বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করিম বলেন, লবণচরা এলাকায় এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে সে কোথায় ও কখন হামলাটি ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার তথ্যও আমাদের কাছে রয়েছে।