1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বড় পর্দায় বিশ্বকাপ প্রদর্শন স্থলে পুলিশি নজরদারি জোরদার: ডিএমপি সরকার ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দিলো আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখানোর স্থানগুলোর নজরদারিতে থাকবে পুলিশ সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন অপহরণে অভিযুক্ত এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা প্রতিবন্ধীদের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা ভিসানীতি-২০২৬ অনুমোদন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পিতা-মাতা ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেকর্ড ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলে দেশে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার (১ জুলাই) এই তথ্য জানায়।

ব্যাংকের প্রাথমিক হিসেবে পুরো একটি বছরে দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এক বছর আগে এই পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত এক বছরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা প্রায় ১৭.৩ শতাংশ বৃদ্ধি। দেশের কোনো এক অর্থবছরে এত বড় পরিমাণ রেমিট্যান্স আগে আসেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কড়া অবস্থান, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার বিস্তার ও ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত লেনদেন সুবিধা প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেল ব্যবহার বাড়িয়েছে। এ কারণে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া গেছে।

তবে মাসভিত্তিতে গত জুনে রেমিট্যান্সে কিছুটা ভাটা পড়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জুনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার, যা গত সাত মাসে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে গত বছরের জুনের তুলনায়ও এই মাসে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য প্রাথমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি; চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ হলে জুন মাসের অঙ্ক কিছুটা বাড়তে পারে। এর আগে গত বছরের অক্টোবরেই রেকর্ড সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স (২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার) দেখা গিয়েছিল।

রেমিট্যান্স প্রবাহে ঋতুভিত্তিক উঠানামাও লক্ষ্য করা যায়। মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীরা পরিবারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ পাঠান, ফলে ওই তিন মাসে রেমিট্যান্স তীব্রতা বেড়ে যায়; ঈদ-উৎসব পরবর্তী সময়ে চাপ কমলে জুনে স্বাভাবিকভাবে কিছুটা হ্রাস দেখা যায়।

মাসভিত্তিক রেমিট্যান্সের চিত্র (সদ্য সমাপ্ত অর্থবছর):

জুলাই — ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্ট — ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর — ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর — ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বর — ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বর — ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারি — ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারি — ৩০২ কোটি ডলার, মার্চ — ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, এপ্রিল — ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, মে — ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং জুন — ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধির ধারায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭.৫৬ বিলিয়ন ডলারে, আর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ৩২.৯০ বিলিয়ন ডলার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo