1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখানোর স্থানগুলোর নজরদারিতে থাকবে পুলিশ সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন অপহরণে অভিযুক্ত এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা প্রতিবন্ধীদের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা ভিসানীতি-২০২৬ অনুমোদন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পিতা-মাতা ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড মন্ত্রী: পরিকল্পিত মাটি অপসারণ, পদ্মা রেলসেতুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত মিলেমিশে থাকা বাংলাদেশের মানুষের আদি মূল্যবোধ

২০২৫–২৬ অর্থবছরে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্য জানিয়েছে।

ব্যাংকের প্রাক-বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত ১২ মাসে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে তা ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে প্রবাসী পাঠানো অর্থ বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধির সমতুল্য। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কড়া অবস্থান, বৈধ চ্যানেলে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুবিধা প্রবাসীদের বৈধ রুট ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। এ কারণগুলো মিলিয়ে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি ঘটেছে বলে তারা মনে করেন।

তবে অর্থবছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা কমে এসেছে। প্রাথমিক হিসাব অনুসারে জুনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত সাত মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম এবং আগের বছরের জুনের তুলনায়ও খানিকটা নীচে। এ সময়ের হিসাব তৈরির সময় ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি; ফলে চূড়ান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশের সময় এই সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। গত অর্থবছরের সর্বনিম্ন রেকর্ড ছিল গত বছরের অক্টোবর—তখন রেমিট্যান্স আসে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনকে অতিরিক্ত অর্থ পাঠান; এরপর ঈদ-পরবর্তী সময়ে সেই চাহিদা কমে যাওয়ায় জুনে স্বাভাবিকভাবে রেমিট্যান্সে হ্রাস দেখা গেছে।

মাসভিত্তিক রেমিট্যান্সের চিত্রে দেখা যায়: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, এপ্রিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, মে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং জুন ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থাও শক্তিশালী হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতো মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার; আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের BPM6 পদ্ধতিতে নিট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ আছে ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo