1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখানোর স্থানগুলোর নজরদারিতে থাকবে পুলিশ সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন অপহরণে অভিযুক্ত এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা প্রতিবন্ধীদের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা ভিসানীতি-২০২৬ অনুমোদন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পিতা-মাতা ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড মন্ত্রী: পরিকল্পিত মাটি অপসারণ, পদ্মা রেলসেতুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত মিলেমিশে থাকা বাংলাদেশের মানুষের আদি মূল্যবোধ

বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে শেষ সুযোগ দিয়েছে — ব্যর্থ হলে অবিলুপ্তি বা একীভূতকরণ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের চাপ সামলাতে না পেরে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে তিন মাসের মধ্যে নিজেকে পুনরুদ্ধার করার শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সদ্য পাস হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় এই শর্তসাপেক্ষ সময়সীমা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত হিসেবে জানানো হয়েছে।

সামনে রাখা তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন মূলধন যোগ, খেলাপি ঋণেরৎ আদায় এবং সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আমানত ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইন অনুযায়ী অবিলম্বে কঠোর রেজল্যুশন কার্যক্রম—যেমন ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা অবিলুপ্তি—শুরু করবে।

শেষ সুযোগ প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম হলো: প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

টিকে থাকতে কী করতে হবে তা বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে। পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে তাত্ক্ষণিকভাবে নতুন মূলধন যোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া নিজস্ব সম্পদ ও সম্পত্তি বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায়, খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা সমঝোতার মাধ্যমে নন-পারফর্মিং লোনের হার নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনতে হবে। বিশেষভাবে সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জমানো টাকা (আমানত দায়) সময়মতো ফেরত দেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এই কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে সংকটজনক ছিল; বহু গ্রাহক তাদের টাকা তোলার চেষ্টা করেও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছেন। তাই আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে এবং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এখন নতুন আইনের আলোকে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো যদি তিন মাসের মধ্যে প্রতিশ্রুত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্ট দেরি ছাড়াই আইনের বিধানমতো চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু করবে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবস্থাপনা হস্তান্তর বা পুনর্গঠন, অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে একীভূতকরণ বা চূড়ান্তভাবে অবিলুপ্তি।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই দৃষ্টিভঙ্গি সাধারণ মানুষের আর্থিক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—তিন মাসে এই প্রতিষ্ঠানগুলো কি সত্যিই পর্যাপ্ত মূলধন জোগাতে পারবে কি না। সময় শেষ হলে সিদ্ধান্তগুলো কেবল প্রতিষ্ঠান নয়, তাদের গ্রাহক ও বাজারকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo