1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পেশোয়ারের বাড়ি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

বলিউডের দুই কিংবদন্তির—রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমার—পৈতৃক বাড়ি পেশোয়ারে ঝুঁকিতে পড়ে আছে। দীর্ঘ neglect ও আবহাওয়া’র ধাক্কায় দু’টি ঐতিহাসিক ভবন এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে স্থানীয়রা মনে করেন যেকোনো সময় সেগুলো ভেঙে পড়তে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই উদ্বেগ উঠে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গত চার–পাঁচ বছর ধরে সরকারের পক্ষ থেকে বাড়ি দুটির কোনো জোরালো রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়বৃষ্টি ও আর্দ্রতার কারণে নির্মাণ উপকরণ জীর্ণ হয়ে গেছে; তাদের ভাষ্য, খুঁটি-কাঠামো এখন ‘হাড় জিঞ্জিরে’ অবস্থায় আছে। সম্প্রতি ভূমিকম্পের ছোট-মধ্যম ধাক্কাও যেন কালের ক্ষতকে আরও তীব্র করে দিয়েছে — অবকাঠামোগতভাবে ভবনগুলো নড়বড়ে হয়ে উঠেছে।

তথ্য বলছে, ২০১৬ সালে পাকিস্তান সরকার এই দুই বাড়িকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণার পর থেকে সংরক্ষণে দু’বার অর্থ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি আসে। ২০২১–২২ সালে খাইবার পাখতুনখোয়া সরকার বাড়ি দু’টি ক্রয় করে জাদুঘরে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ২.৩৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি বরাদ্দ করেছিল। পরে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রাদেশিক সরকার ঐতিহাসিক ভবনগুলোর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের জন্য ৩৩.৮ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি অনুমোদন করে। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সেই অর্থ কার্যত হাতে আসেনি, ফলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগও প্রকল্প বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে পারেনি।

ফলে ভবন দুটির করুণ অবস্থা অব্যাহত রয়েছে—ঝড়বৃষ্টির জল জমে থাকা, বাড়ির আনাচ-কানাচে আগাছা ও আবর্জনা, দেয়ালে ফাটল ও ছেঁড়া অংশের ক্রমবর্ধমান ক্ষতি—সবকিছু মিলিয়ে ধ্বংসের পথে চলছে এই নিদর্শনসমূহ। স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই গুরুতর পতনের আশঙ্কা বেড়ে যাবে।

সংক্ষিপ্তভাবে: রাজ কাপুরের বাড়ি পেশোয়ারের খাওয়ানি বাজারে, যা ১৯১৮ সালে দেওয়ান বিশ্বেশ্বরনাথ কপূর নির্মাণ করেছিলেন এবং রাজ কাপুরও এখানে জন্মেছিলেন। দিলীপ কুমারের বাড়ি মহল্লা খুদাদাদে, পেশোয়ারি স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি। একসময় প্রাণবন্ত এই দু’টি বাড়ি আজ বিলুপ্তির অপেক্ষায়—স্থানীয়রা আশা রাখে দ্রুত অর্থায়ন ও সংরক্ষণ কাজ শুরু হলে এই ঐতিহ্য বাঁচানো যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo