কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুর পর শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শেষবারের মতো তাকে দেখতে ও শেষকৃত্যে অংশ নিচ্ছেন অনেকে; পরিবারের আপাতত সেই অপেক্ষাই চলছে।
কারিনার মরদেহ শনিবার (১৬ মে) দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি জানান, প্রিজার্ভ সংক্রান্ত কিছু জটিলতা থাকায় আজ দুপুর তিনটা ফ্লাইটটি ধরাও সম্ভব হয়নি। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে রোববার (১৭ মে) চেন্নাই থেকে ঢাকা পর্যন্ত মরদেহ পাঠানো হবে।
কায়সার হামিদ বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ও সংরক্ষণের বিষয়গুলি নিবারণের পর আগামীকাল যে ফ্লাইটে আসবে তারা সেবারই আসবে।
চিকিৎসার জন্য কারিনার সঙ্গে ভারতে ছিলেন তাঁর মা লোপা কায়সার এবং দুই ভাই মোস্তফা এস. হামিদ ও সাদাত হামিদ। এই সময়ে কায়সার হামিদ নিজে দেশে রয়েছেন।
কারিনা কায়সার লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় জীবন হারান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ভারতের চেন্নাই হাসপাতালে নেওয়ার পর শুক্রবার দিবাগত রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তিনি তরুণ দর্শকদের কাছে দ্রুতই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। পরবর্তীতে ওটিটি ও নাটকে অভিনয় করে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন; উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।
পরিবার ও ফ্যানরা এখন মরদেহ দেশে নিয়ে এসে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উদগ্রীব; সরকারি ও কাগজপত্রগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোববার তা সম্পন্ন হবে বলে পরিবার নিশ্চিত করেছে।