মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আবারও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, কূটনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরিকল্পিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখবে। মঙ্গলবার সামাজিক
জাপান কয়েক দশকের পুরনো অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে, যা তাদের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী অস্ত্রের বাজারে প্রবেশ করা। মঙ্গলবার জাপানের সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো। এই নতুন পদক্ষেপের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনা শীঘ্রই শুরু হতে পারে—তবে ঠিক কখন তা এখনও অনিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে আবেদন করা হয়েছে যে, প্রেসেটে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠানো ছাড়া ইরানের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলে হুঁশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে মঙ্গলবার চুক্তি হবে—এমন দাবি ট্রাম্প তার সামাজিক মঞ্চ ট্রুথ সোশ্যালে করলেও, ইরান এখনো ইসলামাবাদে কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি বলে নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা। ইরনা তাদের
সংক্ষিপ্তভাবে: সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার উদ্যোগের আগে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কড়া বা উত্তেজক ভাষা পরিহার করার জন্য সতর্ক করেছে। ইসলামাবাদ এই মধ্যস্থতার মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনার প্রস্তুতি চলাকালীন পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জনসমক্ষে আক্রমণাত্মক বা জুলুমি ভাষা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে ইসলামাবাদ থেকে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের কাছে থাকা ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুনে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর কারণে ইরানের
শিগগিরই ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় এখনো নিশ্চিত নয়। এর আগে পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জনসমক্ষে রাজনীতির
ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই মন্তব্য করেন সেই সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন