1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধারে ট্রাম্পের মন্তব্য: দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া দরকার

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই মন্তব্য করেন সেই সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর প্রসঙ্গে। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই অপারেশনের মাধ্যমে নিউক্লিয়ার ডাস্ট বা ইউরেনিয়াম সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। এই ধ্বংসযজ্ঞের ফলে এখন এই ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলি থেকে ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করা একদমই সহজ নয়, সেটি খুবই জটিল, দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। গতকাল সোমবার তিনি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ চালানোর সময়ই ইরানের বিভিন্ন নিউক্লিয়ার স্থাপনাগুলোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। তাই এখন এই ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনাগুলো থেকে ইউরেনিয়াম খুঁজে বের করা বা পুনরুদ্ধার করা খুবই কঠিন, কারণ সেটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া।’

এদিকে, ২০২৫ সালের ৬ জুন জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএ একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়ে ছিল, ইরানের কাছে কয়েকশ কেজি উচ্চ পরিশোধিত (৬০ শতাংশ এনরিচড) ইউরেনিয়াম রয়েছে। যদি এই পরিশোধনের মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হয়, তাহলে ইরান একের পর এক পারমাণু বোমা বানানোর ক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

আইএইএ-র এই তথ্যের কয়েক দিন পর ইসরায়েল ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ওপর ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে আঘাত করে। এর কিছু দিন পরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ শুরু হয়। এই দু’টি অপারেশন ১২ দিন ধরে চলতে থাকায় ইরানের পরমাণু প্রকল্পের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে ধ্বংস করে দেন। তবে, এই অভিযানের ফলে ইরানের পরমাণু মজুতের ওপর প্রভাব পড়েনি।

পূর্ববর্তী সময়ে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এক সঙ্গে ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ইউরেনিয়াম সংগ্রহ ও হস্তগত করা। এই সব কর্মকাণ্ডের সূত্রপাত ছিল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo