1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি: চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শোকজ অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে সই করানোর অভিযোগে লিটু আটক অণ্ডকোষ চাপিয়ে চেক-স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগে লিটু আটক আগামী এক সপ্তাহে ভারী বৃষ্টি, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে: রাষ্ট্রপতি বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি নিম্নচাপ: সাগর উত্তাল, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ৭২ ঘণ্টায় নিঃশর্ত ক্ষমা ও ১০০ কোটি টাকার দাবি রেখে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ উত্তরা মোটর্স বাজারে আনলো সম্পূর্ণ নতুন ইসুজু লাক্সারি NQR বাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের ঐতিগত দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ঢাবি সম্পর্কে অবমাননার অভিযোগে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা ও ১০০ কোটি টাকা জমার নোটিশ

চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত সুযোগ, ব্যর্থ হলে বন্ধ বা একীভূতকরণ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের ভারে দিশেহারা কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ ব্যাংক চূড়ান্ত সুযোগ দিয়েছে। নতুন পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’—এর আওতায় এসব প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করবে বলে সোমবার নয়, সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সময়সীমা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) ও প্রিমিয়ার লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। বুধবার ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

টিকে থাকতে যা করা লাগবে: নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের দায়িত্ব নতুন মূলধন যোগান এবং প্রয়োজনীয় তারল্য (লিকুইডিটি) নিশ্চিত করা। এছাড়া নিজেদের সম্পদ ও সম্পত্তি বিক্রি করে নগদ জোগান, বকেয়া ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণের পুনঃতফসিল বা সমঝোতার মাধ্যমে দেরিতে থাকা ঋণের হার নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জমানো টাকা সময়মতো ফেরত দিতে হবে—এটাও শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছে।

ব্যর্থ হলে কি হবে: যদি প্রতিষ্ঠানগুলো তিন মাসের মধ্যে উপরে বর্ণিত শর্তের কোনো একটি বা একাধিক পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্ট আইন অনুযায়ী অবিলম্বে চূড়ান্ত রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করবে। এর মধ্যে থাকতে পারে ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, প্রতিষ্ঠানগুলোর একীভূতকরণ বা অবলুপ্তি (লিকুইডেশন) ইত্যাদি কড়া পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিদ্ধান্তের লক্ষ্য আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

খাতের প্রতিক্রিয়া ও সংশয়: আর্থিক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর অবস্থান গ্রাহক আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। তবে তিন মাসের সেই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট মূলধন ও তারল্য সংগ্রহ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনেকে সন্দিহান। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে নেতিবাচক ব্যালান্সশিট, পরিচালনার ঘাটতি ও অনিয়ম থাকলে দ্রুত সমাধান করা কঠিন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বারবার বলেছেন যে, আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস হবে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য চূড়ান্ত পরীক্ষার সময়; তার পর ফলাফল অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলবে, প্রতিষ্ঠানগুলো বাঁচবে কি না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo