1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
অণ্ডকোষ চাপিয়ে চেক-স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগে লিটু আটক আগামী এক সপ্তাহে ভারী বৃষ্টি, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে: রাষ্ট্রপতি বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি নিম্নচাপ: সাগর উত্তাল, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ৭২ ঘণ্টায় নিঃশর্ত ক্ষমা ও ১০০ কোটি টাকার দাবি রেখে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ উত্তরা মোটর্স বাজারে আনলো সম্পূর্ণ নতুন ইসুজু লাক্সারি NQR বাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের ঐতিগত দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ঢাবি সম্পর্কে অবমাননার অভিযোগে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা ও ১০০ কোটি টাকা জমার নোটিশ ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি জুলাই হত্যার দৃশ্যমান বিচার ও সহায়তা দাবি শহীদ পরিবারদের

চার ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানকে তিন মাসের শেষ সুযোগ, ব্যর্থ হলে রেজল্যুশন চালু

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত দেশের চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুনভাবে পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ অনুসারে এসব প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে তিন মাসের সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় মূলধন যোগ করা, খেলাপি ঋণ আদায় ও নিয়ন্ত্রিতভাবে সাধারণ গ্রাহকদের আমানত ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে Wednesday (বুধবার) অনুমোদন দেয়া হয়েছে—কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ এ তথ্য জানায়। তিন মাসের বিশেষ সময়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম হলো: প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

টিকে থাকতে হলে করণীয়: বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে পর্যাপ্ত নতুন মূলধন যোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের সম্পদ ও অপ্রয়োজনীয় সম্পত্তি বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা সমঝোতার মাধ্যমে নন-পারফর্মিং লোনের হার নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আর সবচেয়ে জরুরি—সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জমানো টাকা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক। গ্রাহকরা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও টাকা তুলতে পারছেন না। নতুন আইনের আওতায় যদি তারা প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাঙ্ক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর বিধান অনুসারে অবিলম্বে চূড়ান্ত রেজল্যুশন কার্যক্রম—যেমন ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা অবলুপ্তি—শুরু করবে।

খাত-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া: আর্থিক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। তবু প্রশ্ন রয়ে গেছে—তিন মাসের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিই প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করে নিজ অবস্থান মজবুত করতে পারবে কি না। অনেকে এই সময়সীমাকে অত্যন্ত সংকীর্ণ বলেও মনে করছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত তিন মাসের মেয়াদে যে কোনো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে দফায় দফায় বিলম্ব না করে আইন অনুযায়ী রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই নির্দেশনা ও সময়সীমা গ্রাহক আস্থা রক্ষা ও সিস্টেমিক ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo