1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

শেষ সুযোগ: ৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তিন মাস, ব্যর্থ হলে কঠোর রেজল্যুশন

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চূড়ান্ত সুযোগ দিয়েছে। সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় মূলধন জোগান, খেলাপি ঋণ আদায় ও আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু না করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে সময় দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হল: প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। বৃহস্পতিবার ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

টিকে থাকতে যা করতে হবে: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে তুর্নমূলধন সংগ্রহ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের অপ্রয়োজনীয় সম্পদ বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা সমঝোতার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জমা অর্থ (আমানত দায়) সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা হবে—এটি প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে একটি।

ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চারটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক। পরপর গ্রাহক অভিযোগ ও তহবিল উত্তোলনে ব্যর্থতার প্রমাণকে সামনে রেখে নতুন আইনের অধীনে এবার শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্ট অবিলম্বে চূড়ান্ত রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করবে—যেমন ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা অবলুপ্তি।

প্রভাব ও সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য: খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক খাতের প্রতি আস্থা ফেরাতে সহায়ক হবে। তবে প্রশ্ন আছে—এই তিন মাসে প্রতিষ্ঠানগুলো কি সত্যিই প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ ও কাঠামোগত اصلاح করে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারবে? ধারকেরা এই সময়কালে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ও ঘোষণা-প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন আক্কেল রাখবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও বলেছে, আমানতকারীর স্বার্থ অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয় এবং আইন অনুযায়ী তাদের রক্ষা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo