পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে যে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ও নিয়মমাফিক বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, এই কাজ সেতু বা রেললাইনের কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে না।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় চলমান ডিমোবিলাইজেশন (অস্থায়ী নির্মাণকালে ব্যবহৃত মাটি এবং সরঞ্জাম অপসারণ) কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্পের নকশা ও চুক্তি মোতাবেক এ কাজ চলছে। ভায়াডাক্ট নির্মাণকালে ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে যে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, সেটি এখন ধীরে ধীরে অপসারণ করা হচ্ছে। ‘এ কাজ প্রকল্পের নকশা ও চুক্তি অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে এবং এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই; বরং প্রাকৃতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি করা হচ্ছে,’ তিনি বলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, মোট ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার ভায়াডাক্টের মধ্যে ইতোমধ্যেই ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার অংশে মাটি অপসারণের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে সাড়ে তিন ফুট মাটি অপসারণ করা হবে। এ কাজ সম্পন্ন হলে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, পদ্মা রেলসেতুর সমগ্র কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে নিরাপদ। তিনি জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের স্বার্থে প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছে।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুন মাহমুদ, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।