1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

করাচির গুল প্লাজার দোকান থেকে ৩০ দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬১

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির বিখ্যাত গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে ৩০ জন দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। করাচি পুলিশ জানিয়েছে, এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

করাচির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা বুধবার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “গুল প্লাজার দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ‘দুবাই ক্রোকারিজ’ নামের দোকান থেকে ৩০টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ১৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে; বাকিদের পরিচয় উদ্ধারে কাজ চলছে।”

এই ৩০টি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ফলে গুল প্লাজায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১-এ। তিনি আরও জানান, এখনও ৪০-এর বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার। প্রথমে প্লাজার বেসমেন্টে আগুন লাগে এবং এরপর তা অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে পুরো পাঁচতলা শপিং কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে। প্রধান সূত্রগুলো বলছে, আগুনের সূত্রপাত বড় সম্ভাব্যতায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় লেগেছে।

১৯৮০ সালে নির্মিত এই পাঁচতলা শপিং কমপ্লেক্সটির আয়তন একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং এখানে প্রায় ১,২০০টিরও বেশি দোকান ছিল। আগুনে এসব দোকানের অধিকাংশই ভস্মীভূত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে বলা হচ্ছে, করাচিতে এত ব্যাপক মাত্রার আগুন আগে দেখা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ ওই কমপ্লেক্স পরিচালনায় উদাসীনতাকেই বড়হারে দায়ী করেছে হতাহতের কারণ হিসেবে। করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুল প্লাজায় মোট ফটক বা গেটের সংখ্যা ছিল ২৬টি, কিন্তু চলাচলের জন্য নির্ধারিত দুটি বাদে বাকি সব গেট প্রায় সবসময় বন্ধ রাখা হতো। আগুন লাগার সময়ও ওই多数 ফটক খোলা ছিল না, ফলে শত শত মানুষ ভবনটিতে আটকা পড়ে। পাশাপাশি মার্কেটের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রপাতিও ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল।

ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা আরও বলেন, “প্রাথমিক অনুসন্ধানে আমরা জানতে পেরেছি কেউ কেউ আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা করে দোকানের শাটারগুলো বন্ধ করে দিয়েছিলেন; পরে সেটিই তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিহতদের মধ্যে দোকান মালিক ও কর্মচারীরাও রয়েছেন।”

করাচি পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তে সিন্ধ রাজ্য সরকার একটি তদন্তকমিটি গঠন করেছে এবং সেই কমিটিই ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, জানিয়েছেন করাচি পুলিশ প্রধান ও কমিশনার সৈয়দ হাসান নাকভি।

এই ঘটনার খবর প্রথম এসেছিল এএফপি সূত্রে। উদ্ধারকার্য এবং তদন্ত চলছে, বর্তমান তথ্য সংগ্রহের ওপর ভিত্তি করে সংখ্যা ও বিবরণ পরিবর্তিত হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo