1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

ট্রাম্প বললেন, ভারতসহ ২৩ দেশকে ‘প্রধান মাদক পাচারকারী’

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তান, ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ বিশ্বের মোট ২৩টি দেশকে বড় ধরনের মাদক উৎপাদক ও পাচারকারী দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, এই দেশগুলো অবৈধ মাদক এবং এর কাঁচামাল তৈরি ও পাচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও দেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এই ঘোষণা তিনি মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেন, যেখানে তিনি তালিকা প্রকাশ করেছেন।

তালিকায় অন্তর্ভুক্ত দেশের মধ্যে রয়েছে: আফগানিস্তান, বাহামা, বেলিজ, বলিভিয়া, মিয়ানমার, চীন, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ডোমিনিকান রিপাবলিক, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, জ্যামাইকা, লাওস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, পানামা, পেরু ও ভেনেজুয়েলা।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প এই তালিকায় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক সরবরাহ ও পাচারে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই দেশের মধ্যে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, মিয়ানমার, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা মাদকবিরোধী কার্যক্রমে “গুরুতর ব্যর্থতা” দেখিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য, এই দেশগুলোর উপর চাপ বাড়িয়ে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া।

পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এই দেশগুলির মাধ্যমে অবৈধ মাদক ও এর কাঁচামাল উৎপাদন ও পাচার মার্কিন জনগণের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে। তবে, তালিকায় থাকার অর্থ এটা নয় যে, ওই দেশের সরকার বা প্রতিষ্ঠানগুলো মাদকবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা করছে না। এটি মূলত ভৌগোলিক, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে, যেখানে কখনো কখনো শক্তিশালী আইন প্রয়োগের পরেও মাদক উৎপাদন ও পাচার কমানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

ট্রাম্প আরও জানান, গত ১২ মাসে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, মিয়ানমার, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী চুক্তির শর্ত মানতে বা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যাপক ব্যর্থতা দেখিয়েছে।

চীন প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, দেশটি ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঁচামাল সরবরাহকারী’, যা অবৈধ ফেন্টানিলের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি, নাইটাজিনস ও মেথঅ্যামফেটামিনসহ অন্যান্য কৃত্রিম মাদকও দেশ থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি বেইজিংকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদকের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ রোধে আরও কঠোর আইন এবং অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও, আফগানিস্তানের তালেবান কর্তৃপক্ষ অবৈধ মাদক উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বলে অভিযোগ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তালেবানরা অনেক অংশে এই ব্যবসা থেকে লাভবান হচ্ছে; এর ফলশ্রুতিতে দেশটির মাদক উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে, মেথঅ্যামফেটামিনের উৎপাদন বেড়েছে, যা উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সবশেষে, ট্রাম্পের মতে, ফেন্টানিলসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী মাদক আমদানির কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখনো জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির মুখোমুখি। এই ড্রাগের কারণে বর্তমানে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী আমেরিকাদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও বলছেন, এই মাদক সংকটের কারণে দেশের স্বাস্ত্য ব্যবস্থা ও সমাজে গভীর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo