1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইসলামী সামরিক জোট গঠনের দাবি ইরাকের

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ইসরায়েলের সম্প্রসারিত হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। দোহার একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ও কাতারে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অবস্থায় মুসলিম বিশ্বকে একত্রিত হয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সময় এসেছে।

সম্প্রতি দোহার একটি স্থাপনায় ইসরায়েল হানা চালায়, যেখানে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের পাঁচজন সদস্য ও কাতারীয় একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলছে আধিপত্য বিস্তার। ইরাক মনে করে, কাতারের মাটিতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বা সীমানা মানতে নারাজ, যা নতুন বিপদ ডেকে এনেছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেছে, একসঙ্গে কাজ করলে মুসলিম দেশগুলো একটি শক্তিশালী যৌথ প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন করতে পারে। শুধু সামরিক অর্থাৎ রণকৌশলে নয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও একযোগে পদক্ষেপের সময় এসেছে। তাঁর মতে, ইসরায়েলি আগ্রাসন কাতারে থেমে থাকছে না, তা বদলে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই পরিস্থিতিতে দোহার আয়োজিত জরুরি আরব-ইসলামিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ইসরায়েলের হামনাকে নিন্দা ও প্রতিক্রিয়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা একটি যৌথ ইসলামি বা আরব সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই উদ্যোগটি প্রায় এক দশক আগে মিশর থেকে ওঠে এসেছিল।

হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় তাদের পাঁচজন সদস্য নিহত হলেও দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপদ রয়েছে। দোহার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আলোচনা জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে, যেসব আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে, তাদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক নিয়েও নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে।

ইরাকের মতে, মুসলিম বিশ্বের হাতে এখন অনেক ধরনের কূটনীতি, রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা রয়েছে। যদি সময়মতো তা কাজে লাগানো না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই এখনই প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo