1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

ইসরায়েলের গাজা অভিযান ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ঘোষণা, নিহতের সংখ্যা ছাড়ালো ৬৩ হাজার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

গাজা উপত্যকা এখন এক বিশাল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, কারণ দখলদার ইসরায়েল গাজা সিটিকে সম্পূর্ণভাবে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ঘোষণা করেছে। শহরটিতে এর আগে কোনও বিরতি ছাড়াই গৃহীত সামরিক কার্যক্রম এখন তীব্রতর হয়েছে। শুক্রবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা সেখানে ব্যাপক প্রাথমিক অভিযান শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতেও ত্রাণ সহায়তার জন্য কোনও বিরতি দেওয়া হবে না। বিভিন্ন সূত্রে বলা হচ্ছে, গাজায় ঘরে ঘরে যুদ্ধের ধাক্কা চলমান, আর জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি মুখপাত্র আভিচায় আদ্রি এক্সে তার এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি না। গাজা সিটিতে এখন শুরু হয়েছে ব্যাপক অভিযান এবং হামলার প্রথম পর্যায়। আমরা শক্তির সঙ্গে উপকণ্ঠে দখল ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছি।’ এর আগে, গাজায় বিশ্লেষণ করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ঘোষণা দিয়েছিল যে, কৌশলগত বিরতিটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। তারা জানায়, “আজ শনিবার সকাল ১০টার পর থেকে গাজা সিটিতে আর কোনও বিরতি কার্যকর থাকবে না। এখন থেকে শহরটি পুরোপুরি একটি ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্র।” প্রথমে ২৪ ঘণ্টার জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে ইসরায়েল গাজায় হামলা বন্ধ রেখেছিল, তবে সেটি পরবর্তীতে বাতিল করে দেয়া হয়।

অন্তর্বর্তী সময়ে, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আহ্বানে গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য সাময়িক বিরতি চালু থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত শহরে এখন ঘরবাড়ি, স্কুল ও হাসপাতালসহ সর্বত্র যুদ্ধের থাবা। আগস্টের শুরুর দিক থেকে শুরু করে ইসরায়েল গাজায় বরাবরই বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে, আর শহরটির উপকণ্ঠে তাদের ট্যাংক অবস্থান নিয়েছে। এসব হামলায় নিরীহ ফিলিস্তিনি সাধারণ জীবনযাত্রা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে।।

প্রতিরোধের জন্য শহরটিতে প্রতিদিনই দ্রুত নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। শুক্রবার, তারা টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় আরও ৫৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশি সংখ্যক মানুষ, যার সংখ্যাটা এখন ২২৪ জন।

অথচ, এসব ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও নিরীহ মানুষজনের জীবন বাঁচানোর জন্য ত্রাণ কার্যক্রম চললেও অনেকের চোখে আজও শান্তির দেখা মেলেনি। যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩,০২৫ জন, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা এখন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯০ জন।

আরও আরও মৃত্যুর খবর আসছে, বিশেষ করে অনাহার ও অপুষ্টির কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ক্ষুধাজনিত কারণে নিহতের মোট সংখ্যা ৩২২ জনে দাঁড়িয়েছে, যার বেশিরভাগই শিশু। পাশাপাশি চলমান যুদ্ধের ফলে মানবিক সহায়তা নেয়ার জন্য গাজায় গিয়ে জীবন দিয়ে যেতে হয়েছে ২৩ জন ফিলিস্তিনিকে। আপাতত, ২৭ মে থেকে এই পর্যন্ত যাদের সাহায্য পেতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ২০৩ জন এবং আহত হয়েছেন মোট ১৬ হাজার ২২৮ জন। এই পরিস্থিতিতে এখনও প্রচুর মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) চলতি বছরের ২৭ মে থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করে, এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই এই কেন্দ্রগুলোর কাছে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে গাজায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়ে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠছে। সূত্র: আল জাজিরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo