1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

আন্তর্জাতিক অপরাধ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে। তবে এতে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি।

ট্রাইব্যুনালে দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ রেখে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের প্রস্তাবনা তোলা হলেও ওই বিধানটি যুক্ত হয়নি। তবে সরকার চাইলে প্রচলিত আইনে বিদ্যমান দল বা সংগঠন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অধ্যাদেশের বিষয়ে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে এদিন সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর খসড়া গৃহীত হয়েছে। তবে, আমরা আইনের যে সংশোধনী করেছিলাম, উপদেষ্টা পরিষদ মনে করেছে যে, এই অধ্যাদেশের আওতায় ট্রাইব্যুনাল যদি মনে করে সংগঠনকে শাস্তি দেওয়া দরকার, তাহলে তারা সুপারিশ করতে পারবে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে।’

তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদ বলেছে আমরা এই বিচারকে অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করতে চাই না। রাজনৈতিক দল বা কোনো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা প্রশ্ন এলে, এই আইনকে অযথাই প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ তৈরি হবে। আমরা এই সুযোগ দিতে চাই না। এজন্য এ বিধান বাতিল করা হয়েছে।’

‘কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন নিষিদ্ধ করার দাবি আসে বা প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের অন্যান্য আইন আছে। তাই ট্রাইব্যুনালে এ বিধান থাকছে না বলে রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকল না, এমন কিছু না, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্যান্য প্রচলিত আইনে পরে বিবেচনা করা যাবে,’ বলেন আইন উপদেষ্টা।

গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের লক্ষে ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন প্রণয়ন করা হয়।

আইন ও বিচার বিভাগ পরে আন্তর্জাতিক অপরাধের সংজ্ঞা যুগোপযোগীকরণ, অপরাধের দায় নির্ধারণ, অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে বিচারকাজ ধারণ ও সম্প্রচার, বিদেশি কাউন্সেলের বিধান, বিচারকালে অভিযুক্তের অধিকার, অন্তবর্তীকালীন আপিল, সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা সংক্রান্ত বিধান, তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক তল্লাশি ও জব্দ করার বিধান, পর্যবেক্ষক, সাক্ষীর সুরক্ষা, ভিকটিমের অংশগ্রহণ ও সুরক্ষার বিধান সংযোজন করে এর খসড়া তৈরি করে।

বর্তমানে সংসদ না থাকায় এ অবস্থায় গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার করতে বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশের খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo