1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পিতা-মাতা ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড মন্ত্রী: পরিকল্পিত মাটি অপসারণ, পদ্মা রেলসেতুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত মিলেমিশে থাকা বাংলাদেশের মানুষের আদি মূল্যবোধ জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয়ের তদন্ত নির্দেশ জ্বালানিতে সহায়তা বাড়ালো জাপান, নৌবাহিনী পাচ্ছে ৫টি প্যাট্রোল বোট জুনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক পূর্বাচলে ৪ থানা, ৬ তদন্তকেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ৩৮ জেলায় আইসিইউ নেই, গ্রামীণরা চিকিৎসা বঞ্চিত: ডা. জুবাইদা রহমান

চূড়ান্ত তিন মাস: ব্যর্থ হলে বন্ধ করা হবে চার ফাইন্যান্স কোম্পানি

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের কারণে জর্জরিত চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সদ্য পাস হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই শর্তসাপেক্ষে আগামী তিন মাস সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা নতুন মূলধন যোগান, খেলাপি ঋণ আদায় ও আমানতকারীদের ত্রাণের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বুধবার ব্যাংক অফিসিয়ালি এ তথ্য জানায়। তিন মাসের বিশেষ সময় দেয়া কোম্পানিগুলোর নাম— প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) ও প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

টিকে থাকতে হলে কি করতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে যথেষ্ট নতুন মূলধন জোগান দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করতে হবে। তারা যদি বাজারজাত সম্পদ বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায় বা খেলাপি ঋণের পুনঃতফসিল/সমঝোতার মাধ্যমে নন-পারফর্মিং লোনের হার কমাতে পারে এবং সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আমানত পরিশোধ শুরু করতে পারে—তবে কাজ করবে বিধিতে থাকা শর্ত পূরণে।

ব্যর্থ হলে কী হবে

ব্যাংক একটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা বহুদিন নাজুক অবস্থায় ছিল; গ্রাহকেরা আজকাল টাকা তুলতে গিয়ে বহু ঝামেলা করছেন। তিন মাসের মেয়াদে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর বিধান অনুযায়ী অবিলম্বে কড়া রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করবে। এর মধ্যে থাকতে পারে ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা সর্বশেষে অবলুপ্তি—তাই আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

প্রতিক্রিয়া ও আশঙ্কা

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই শক্ত অবস্থান আর্থিক খাতে সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে সহায়ক হবে। তবে তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো কি বাস্তবে প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ ও তাল মিলিয়ে খালাস করতে পারবে—এ নিয়ে সন্দেহ রয়ে গেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন দ্রুত পুনর্গঠন না হলে আইন অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হওয়াই বাস্তবসম্মত বিকল্প।

সবশেষে, এখন নজর থাকবে প্রতিষ্ঠানগুলো কত দ্রুত ও কার্যকরভাবে তাদের আর্থিক দুরবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারে এবং আমানতকারীদের টাকা ফিরিয়ে দিতে পারে—নইলে আইনানুগ রেজল্যুশনই পরবর্তী ধাপ হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo