1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ব্যর্থ হলে রেজল্যুশন: চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে ৩ মাসের শেষ সুযোগ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের চাপ সামলাতে না পেরে দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সদ্য গৃহীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে তিন মাস সময় দিয়েছেন।

এই সময়ের মধ্যে কোম্পানিগুলোকে নতুন মূলধন যোগ করা, তারল্য জোগান দেওয়া, খেলাপি ঋণ আদায় বা পুনঃতফসিল করে নন-পারফর্মিং লোনের হার কমানো এবং সাধারণ গ্রাহকদের আমানত ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বুধবার থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যে চার প্রতিষ্ঠানকে সময় দেওয়া হয়েছে তারা হলো: প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

টিকে থাকতে হলে কি করতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে পর্যাপ্ত নতুন মূলধন যোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিজেদের সম্পদ বা সম্পত্তি বিক্রি করে মূল্য অর্জন, বকেয়া ঋণ আদায় ও খেলাপি ঋণের পুনঃতফসিল বা সমঝোতার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে নামিয়ে আনতেও হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আমানত দায় পরিশোধ নিশ্চিত করা।

ব্যর্থ হলে কি হবে

উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নাজুক। গ্রাহকরা অনিমিত হয়ে টাকা তুলতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়ছেন। যদি প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী বিলম্ব না করে কঠোর রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করবে—যেমন ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা শেষে অবলুপ্তি।

প্রভাব ও জনমত

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কড়াকড়ি সিদ্ধান্ত আর্থিক খাতে সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো বাস্তবে প্রয়োজনীয় মূলধন জোগাতে পারবেন কি না সে বিষয়ে অনেকে সন্দিহান। সময়োপযোগী পদক্ষেপ না হলে ঋণগ্রস্ত ও অনিয়মবাহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যত বন্ধ বা একীভূত করার পথে যেতে হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo