1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পিতা-মাতা ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড মন্ত্রী: পরিকল্পিত মাটি অপসারণ, পদ্মা রেলসেতুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত মিলেমিশে থাকা বাংলাদেশের মানুষের আদি মূল্যবোধ জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয়ের তদন্ত নির্দেশ জ্বালানিতে সহায়তা বাড়ালো জাপান, নৌবাহিনী পাচ্ছে ৫টি প্যাট্রোল বোট জুনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক পূর্বাচলে ৪ থানা, ৬ তদন্তকেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ৩৮ জেলায় আইসিইউ নেই, গ্রামীণরা চিকিৎসা বঞ্চিত: ডা. জুবাইদা রহমান

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেকর্ড ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

সেদিনের রেকর্ড: সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

এ তথ্য বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে। ব্যাংকের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, গত এক অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে মোট রেমিট্যান্স পৌঁছেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরে তা ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ১৭.৩ শতাংশ। দেশের ইতিহাসে কোনো অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে আনাগোনা করেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কড়া অবস্থান, বৈধ রেমিট্যান্স পাঠাতে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং ডিজিটাল রেমিট্যান্স ব্যবস্থার সম্প্রসারণ প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেল ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। এসব কারণে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে অর্থবছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা ধীরাও দেখা গেছে। ব্যাংকের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী জুনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত সাত মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত বছরের একই মাসের তুলনায়ও জুনে পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য প্রাথমিক হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত হয়নি; চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশের সময় এই অঙ্ক কিছুটা বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স ছিল সর্বনিম্ন—২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ পাঠান; ঈদজাঁক পরবর্তী সময়ে সেই চাপ কমে যাওয়ার ফলে জুনে স্বাভাবিক সাপে-কমা দেখা গেছে।

মাসভিত্তিক রেমিট্যান্সের চিত্র (২০২৫-২৬):

জুলাই: ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার

আগস্ট: ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার

সেপ্টেম্বর: ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার

অক্টোবর: ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার

নভেম্বর: ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার

ডিসেম্বর: ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার

জানুয়ারি: ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার

ফেব্রুয়ারি: ৩০২ কোটি ডলার

মার্চ: ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার

এপ্রিল: ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার

মে: ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার

জুন: ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ধারায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে, আর আইএমএফ—বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নেট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

সংক্ষেপে, চলতি অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি অর্থনীতিকে সমর্থন করেছে; তবে কিছু মাসে প্রবাহের ওঠানামা ও প্রাথমিক হিসাবের অনুপস্থিতি চূড়ান্ত সংখ্যাকে সামান্য পরিবর্তিত করতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo