1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের ধন্যবাদ — প্রস্তাব কণ্ঠভোটে পাস মালয়েশিয়া আসিয়ানে সমর্থন দেবে, চীন তিস্তায় সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেনীতে দোকান বিরোধে দুই ছাত্রলীগের হাতে যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় শাহবাগে ভবন থেকে খুলনার নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে গ্যাসে দুই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণ মিললেই সংসদ থেকে ইস্তফা দেব: হাসনাত আবদুল্লাহ চীন প্রস্তাব দিলো বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন ইকোনমিক করিডোর, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় সহযোগিতায় আগ্রহ

মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের ধন্যবাদ — প্রস্তাব কণ্ঠভোটে পাস

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম কার্যদিবসে শনিবার (২৭ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতার জন্য একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়েছে। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া অধিবেশন পরিচালনা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে বক্তব্য রেখে গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশের সরকারি সফরকে ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ বলে উল্লেখ করে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি জানান, চার মাসের মাথায় সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাত ও চুক্তি সম্পাদন করেছেন, যা দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, চীনের সঙ্গে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং দুই পক্ষের উচ্চস্তরের বৈঠকগুলো দীর্ঘক্ষণ ও ফলপ্রসূভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সহায়তার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে; এমনকি রোহিঙ্গা সমস্যাসহ কিছু জটিল বিষয়ে সমাধানের সম্ভাবনার কথাও আলোচিত হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের আচরণ দেখিয়েছেন—বৃহৎ রাজনৈতিক আড়ম্বর এড়িয়ে সরলতা বজায় রাখা—তা দেশের রাজনীতি ও শাসনপ্রণালীতে একটি নতুন সংস্কৃতি গড়ে তুলছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে পররাষ্ট্রনীতির মন্ত্রবাক্য স্থাপন করেছেন—পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, অপ্রতারণা ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন—সেই নীতিকেই এই সফর আরও শক্তিশালী করেছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার ও শক্তি খাতে আমাদের ব্যাপক স্বার্থ রয়েছে, এবং চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে অবকাঠামো ও বাণিজ্যসহ নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বলছেন, রফতানি বাড়িয়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ রয়েছে এবং সেটি কাজে লাগানো দরকার।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও প্রস্তাবটি সমর্থন করেন। তিনি বলেন, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র পররাষ্ট্রনীতির বাস্তবায়ন আমরা প্রত্যাশা করি এবং বৃহৎ কোনো চুক্তি বা এমওইউ হলে তা সংসদের সম্মুখে আনা উচিত—জনগণের স্বার্থ ও জবাবদিহিতার প্রত্যাশায়। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই যেকোনো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে এবং তা যেন কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সেই ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও সরকারের সফলতা কামনা করেন এবং সংসদকে নীতিনির্ধারক কেন্দ্র বলেও জোর দিয়ে বলেন।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিক নির্দেশ করেছে; দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাদের মন্তব্যের পর স্পিকার ধন্যবাদ প্রস্তাবটিকে কণ্ঠভোটে তোলেন এবং সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি পাস করেন।

অধিবেশন শেষে স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতার জন্য সংসদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo