1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

‘আমার ছেলেকে ছুরি মেরেছিল, আমাকেও হত্যা করতে চেয়েছিল’ — সাইফ আলী খান

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান সেই ভয়াবহ রাতের কথা খুলে বললেন। ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ সালে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় তাঁর বাসভবে হওয়া ছুরিকাঘাতের ঘটনায় তিনি জানিয়েছেন, হামলাকারী শুধু নিজেকে লক্ষ্য করেনি, ছোট ছেলে জাহাংগীরকে—যাকে পরিবারের মিষ্টি কথায় জেহ বলা হয়—ও আঘাত করেছিল।

সাইফ জানান, গভীর রাতে জেহর দেখাশোনা করা আয়া দৌড়ে এসে বলেছিল জাহাংগীর ঘরে একজন অচেনা লোক ছুরি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং টাকা চাইছে। সাইফ দৌড়ে গিয়ে দেখেন ওই ব্যক্তি শিশুটিকে ধরে রেখেছে। ‘‘আমার ছেলেকে ছুরি মেরেছিল, আর জেহের সামান্য কেটেছিল,’’ তিনি বলেন। হামলাকারী আমাদের গৃহকর্মীকেও আঘাত করে।

ঘটনা প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, হয়ত যদি তখন ঘরের আলো জ্বালিয়ে শান্তভাবে কথা বলতাম পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত, কিন্তু সে মুহূর্তে কিছু একটা আমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল—আমি তাকে ধরে ফেললাম। এরপর তীব্র হাতাহাতি শুরু হয়। হামলাকারী উন্মত্তের মতো ছুরি চালাতে থাকায় চারদিকে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে। ঠিক তখন আরেক গৃহকর্মী এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দেয় এবং পরিস্থিতি সামলানো যায়।

সাইফ ছয়বার ছুরিকাঘাতে আহত হন। একটি আঘাত তাঁর মেরুদণ্ডের খুব কাছ দিয়ে গিয়েছিল। তিনি স্মরণ করেন, সাদা কুর্তা-পায়জামা পরা অবস্থায় পুরো পোশাক রক্তে ভিজেছিল এবং একসময় মেঝেতে পড়ে থেকে ভেবে ফেলছিলেন হয়তো আর বাঁচবেন না।

ঘটনার পর হাসপাতালে যাওয়ার সময় বড় ছেলে তৈমুরকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন সাইফ। তৈমুর তখন বাবাকে প্রশ্ন করেছিল, ‘‘তুমি কি মারা যাবে?’’ সাইফ তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, না, এবং তারা একসঙ্গে হাসপাতালে যান।

হামলাকারী সম্পর্কে সাইফ বলেছেন, তিনি তাকে ক্ষমা করতে চেয়েছিলেন এবং মনে করেন হামলাকারী জীবনে বড় ভুল করেছে—সম্ভবত মারামারি করতে আসে নি। তবে যে মুহূর্তে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল, সেই স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি। সাইফের বক্তব্য, সমাজে ধনী-গরিবের বৈষম্য এ ধরনের জ騰 ঘটনার অন্যতম কারণ।

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ সালের ওই রাতটিতে চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকেই সাইফের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ঘটনাটির তিন দিন পর, মুম্বাই পুলিশ থানে এলাকা থেকে ৩০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo