1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

যশোরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

যশোরে পারিবারিক বিরোধের জেরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির সামনে ফেলে রাখার অভিযোগে ২০ বছরের পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার জানান, পুলিশের কাছে মঙ্গলবার গভীর রাতে বেজপাড়া এলাকার ওই বাড়ির সামনে বস্তাবন্দি একটি মরদেহ আছে—এর সংবাদ আসে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃতার নাম সকিনা বেগম (৬০), তিনি লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম জানান যে বাসায় রান্না হয়নি, বাইরে খেয়ে নেবে। শহিদুল মাকে খুঁজলে বাড়ির লোক বলেন তিনি বাইরে তালিমে গেছেন।

রাত প্রায় ১০টার দিকে শহিদুল বাড়ি ফেরেন; মা বাড়িতে না দেখে আবার খোঁজখবর নেন। তখন তার স্ত্রী জানান সকিনা বাসায় ফেরেননি। সন্দেহজনক হলে শহিদুল থানায় যোগাযোগ করেন। পরে সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির সামনে বস্তার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পান তিনি। শহিদুল ও তার বোন শাহিদা বেগম লাশটি সকিনা বেগম হিসেবে শনাক্ত করেন।

ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে আলামত সংগ্রহ করে। সন্দেহজনক আচরণ থাকার কারণে মরিয়মকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয়ে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন পুনরায় বকাবকি হওয়ায় রেগে বাড়ির থাকা একটি চাপাতি দিয়ে তিনি শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা করেন, পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে রেখে দেন এবং হত্যার অস্ত্রটি ওয়্যারড্রোবে লুকিয়ে রাখেন।

পরে অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর ঘর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার স্বীকারোক্তি ও আলামত মিলেছে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo