1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কৃষিকে টেকসই ও লাভজনক খাতে রূপান্তরে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা সন্তানসহ জামিনে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেতা্রী শিল্পী বেগম ১৪ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে, সতর্কতা জারি সংরক্ষিত নারী আসনের প্রস্তাব নিয়ে আত্মসমালোচনায় তাসনিম জারা সারাদেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও পাঁচ বিভাগের শিলাবৃষ্টির আভাস প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস দেবে সরকার পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন: আগের গাঢ় নীল ও জলপাই রং ফেরানো হচ্ছে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রকাশ করলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত: সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ ময়মনসিংহে কলেজছাত্র ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসি

রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ১৯ দিনে ছাড়াল দুই বিলিয়ন ডলার

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে মোট ২.১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। এই সময়ে দৈনিক গড়ে প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছর একই সময়ে দেশের রেমিট্যান্স আসছিল মাত্র ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, অর্থাৎ বছরের তুলনায় প্রবাহের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিষয়ক বিশ্লেষকরা বলছেন, এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনের এই প্রবাহ দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই ইতিবাচক। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। এর আগে, মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো, মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

অপরদিকে, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। ডিসেম্বরে যা ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরের রেমিট্যান্স ছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, আর অক্টোবর ছিল ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ। এসব ডেটা থেকে বোঝা যায়, বছরের শুরু থেকে এপ্রিলে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

বিশেষ পরিস্থিতির প্রভাবও পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলের চাহিদা বেড়েছে, যার ফলশ্রুতিতে দেশের মুদ্রার বিপরীতে ডেলার দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠাতে আরও বেশি টাকা পাচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে দেশের অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়ে বলছেন, এ ধরণের বৈদেশিক অর্থনীতির পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo