পবিত্র আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমের সবচেয়ে সংবেদনশীল ধর্মীয় কেন্দ্রগুলোর একটি। কিন্তু চলতি বছরের রমজানের শেষ দিকে—১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো—এই মসজিদটি বন্ধ রাখা হয়। ফলে ঈদুল ফিতরের দিন অনেক মুসল্লিই মসজিদের
ইসরায়েলের দাবি যে তেহরানের এখন আর ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতা নেই—তার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি বলেছেন, তেহরান এখনও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ জেরুসালেমে মুসলমানদের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ধর্মীয় স্থান। এবার রমজানের শেষ দিকে মসজিদটি বন্ধ রাখা হয়—এটি ১৯৬৭ সালের পর এমন ঘটনা। ফলে ঈদুল ফিতরের দিন অনেক মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ
ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর এক দাবির জবাবে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের কাজ এখনও পুরোদমে চলছে। আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি শুক্রবার স্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত দৈনিক ‘‘ইরান’’ে প্রকাশিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, ইসরাইল সেখানে আর হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—যদি ইরান কাতারের জ্বালানি স্থাপনায়
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল আর কখনও ইরানের দক্ষিণ পার্স (সাউথ পার্স) গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—কাতারের জ্বালানি স্থাপনায় যদি পুনরায় হামলা হয়, তাহলে ইরানের
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত সংঘাতের জেরে কাতারের প্রধান এলএনজি কেন্দ্র রাস লাফান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার ধাক্কায় স্থানীয় ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় বিঘ্ন
গত বুধবার ইসরায়েল ইরানের পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায় বলে খবর পাওয়া গেছে। জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরোধ হিসেবে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরাইলের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্তব্য করেছেন। তিনি প্রকাশ্যভাবে বলেছেন, ভবিষ্যতে ইসরাইল সেখানে আর কোনো হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার ধারাবাহিকতা বজায় আছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোন আঘাত হানার ফলে সেখানে তীব্র অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি হয়েছে।