হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ স্থগিত করে দিয়েছে ইরান। তেহরান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তেহরান আমেরিকার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ—উভয়ভাবে—সব কূটনৈতিক যোগাযোগ
ইরান তেহরানকে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি চাওয়ার নীতিতে অনড় রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে—এমন খবর গত সোমবার ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে। তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট: ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশ রক্ষার জন্য ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি বেসামরিক ইরানি অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া এবং জীবন উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দমিয়ে রাখা যাবে না। তিনি সোমবার ভোরে এই মন্তব্য করেছেন, যখন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ
ইরান গত সোমবার সাংবাদিকদের জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা তারা গ্রহণ করেনি। তেহরানের দাবিটি স্পষ্ট — ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধকে স্থায়ীভাবে শেষ করতে হবে, সাময়িকভাবে নয়। একই
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ঘোষণা করেছেন যে, মঙ্গলবারের মধ্যে ইরানের কাছ থেকে উপস্থাপন করা নতুন প্রস্তাবের জন্য শেষ সুযোগ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে নিরসনের জন্য পাকিস্তান কর্তৃক পাঠানো একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হলেও, তা ইরান স্বত্বে প্রত্যাখ্যান হয়েছে। তেহরান মনে করছে যে
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি শহীদ হয়েছেন। এ খবরটি সোমবার (৬ এপ্রিল) আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ নিশ্চিত করেছে। এক
ইরানের最高 নেতা মোজতবা খামেনি বক্তব্য রেখেছেন যে, দেশের শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যাকাণ্ডের পরও সশস্ত্র বাহিনীকে স্তব্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইচ্ছে করলে এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তিনি, আর সে রাতটি হতে পারে আগামী মঙ্গলবার। সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি