দেশের বাজারে বিভিন্ন দফা পতনের পর আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, এবার ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ
বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মন্দ ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর জন্য সময়সীমা শিথিল করেছে। পাশাপাশি, এখন থেকে অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবস আগে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ পাঠানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে
বাংলাদেশের বাজারে ফের সোনার দামে কৌশলগত পরিবর্তন এসেছে। আজ (৩০ অক্টোবর) জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, এক দিনের ব্যবধানে সোনার দাম আবার কমে গেছে। এর ফলে, বিভিন্ন মানের সোনার
দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবার কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এখন থেকে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম হ্রাস করা হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২
বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশের বাজারে এই ধাতুটির মূল্যও হ্রাস করা হয়েছে। দেশের শীর্ষ মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমানো হয়েছে ৯৩৪ টাকা। এর ফলে
দেশের বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে কয়েক দফা পতনের পর অবশেষে আবারো সোনার দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে ভরে প্রতি ৮ হাজার ৮৮০ টাকা
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন আরো যুগোপযোগী করে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের নীতিমালা পরিবর্তন করে শিথিলতা এনেছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্দ ও ক্ষতিজনক অবস্থা থাকা ঋণগুলো এখন থেকে
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার ভার Peyton পাঠিয়েছেন। এই অর্থের পরিমাণ বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, যেখানে এক
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের এই পরিবর্তনের পেছনের কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব। ফলে দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম পরে। আজ মঙ্গলবার থেকে এই
বাংলাদেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে করে ভাল মানের সোনার মূল্য এক দফা করে কমে গেছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে দুই লাখ টাকায়। বৃহস্পতিবার