বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিবেচনায় চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৬৯১ কোটি ডলারে, যা বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখ সাত হাজার কোটি টাকায়ের বেশি। এক বছর
২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাত কঠিন বাস্তবতার মুখে পড়ে: বছরজুড়ে আর্থিক চাপের কারণে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। তারই প্রভাব পরস্পরেই পড়েছে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে —
চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ নানা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দেশের
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতির উপর নেতিবাচक প্রভাব আরও কঠোরভাবে আঘাত হানবে। এর ফলে ডলারপ্রতিরোধে টাকার মান কমে যাবে, এবং জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এই দুই
দেশের বাজারে আবারো বড় ধরনের বৃদ্ধি পেয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, আগামী থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। ভরিতে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকার বেশি যোগ
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির বৃদ্ধি আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৩.০৩ শতাংশ, যা আগে গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে
২০২৪ সাল বাংলাদেশের ব্যাংক শিল্পের জন্য ছিল একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ বছর। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক হিংসা-অশান্তি এবং ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন অন্যায্য স্বেচ্ছাচারিতা এই শিল্পের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। বছরজুড়ে বেশ কিছু
২০২৪ সালে দেশের বীমা-ব্যাংকিং খাত একটি কষ্টকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে—বছরজুড়ে আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং মুনাফা করা ব্যাংকগুলোরও আয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশ কমেছে। তার প্রভাব
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি থাকায় দেশে পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়ে এক হাজার ৬৯১ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দুই লাখ সাত হাজার
২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এক বড় আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়ে; বছরজুড়ে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। আর্থিক চাপের এ ছিটকায় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও ব্যাপকভাবে