উন্নয়ন প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড়ে ধীরগতি লক্ষ করা গেছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে মোট ১৩৪ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার
রাজধানীতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও এসডিজি অর্জনে বেসরকারি খাতের সহযোগিতা অপরিহার্য। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীতে টেকসই উন্নয়ন
সেপ্টেম্বরে ব্যাংক খাতে সরকারের ঋণ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস সরকার ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করেছিল। তবে গত এক মাসে ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ১৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির দর ১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক মাসের বেশি সময় ধরে ব্যাংকগুলোর চাহিদা মেটাতে ৯৬ টাকায় প্রতি ডলার বিক্রি করা হচ্ছিল। বুধবার তা ১
ডলার বিক্রির কারণে একদিকে বাজার থেকে টাকা উঠে আসছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। একই সময়ে পণ্যের দর বৃদ্ধির প্রভাবে বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ছে। তবে মূল্যস্ফীতি ব্যাপক বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে আমানত তেমন
ডলার সংকট সমাধানে ব্যাংকগুলোতে ডলারের দর বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এতে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে অনুৎসাহিত হচ্ছে প্রবাসীরা। ফলে সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স ব্যাপকহারে কমে গেছে, যা ছিলো তার আগের সাত মাসের মধ্যে
সারা বিশ্বে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং মানুষের আয় কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে জীবনযাত্রায়। মানুষ এখন আগের চেয়ে কম খরচ করছে। তাদের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই
করোনার অভিঘাতে দেশের ৮৩ দশমিক ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার আয় কমেছে। ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে ৪০ শতাংশ চাকরি হারিয়েছেন। ২২ শতাংশ ছোট উদ্যোক্তা ঋণের কিস্তির টাকা নিয়মিত পরিশোধ করতে পারেননি। সাড়ে
তিন বছরের জন্য পুনঃ তপশিল করা যাবে কৃষিঋণ। উৎপাদন কার্যক্রম গতিশীল ও পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে এ বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ঋণ পুনঃ তপশিলিকরণ ও পুনর্গঠন সংক্রান্ত মাস্টার সার্কুলারের
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে (এমএফএস) এখন শুধু লেনদেন নয়, যুক্ত হচ্ছে অনেক নতুন নতুন সেবা। এর মাধ্যমে করা হচ্ছে কর্মীদের বেতন পরিশোধ। এছাড়া সেবা মূল্য পরিশোধ, কেনাকাটার বিল পরিশোধ, বেতন-ভাতা প্রদান, বিদেশ