1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন? শেখ হাসিনাকে এখনই দেশে ফেরার আহ্বান—আসিফ নজরুল চট্টগ্রাম অঞ্চলে ছয় দিনে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৩ জন নিহত বন্যার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন — এখনই দেশে ফিরুন: অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল হাটহাজারীতে পুলিশের ‘সোর্স’ বলে জানানো দর্জিকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা চট্টগ্রামে বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকায় বন্যা মোকাবেলায় দায়িত্ব পেলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত হাটহাজারীতে পুলিশের তথ্যদাতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা বিশ্বকাপ উন্মাদনায় দেশে ১১ মৃত্যু, হাইকোর্টে উদযাপন-শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের রিট অনুমতি ছাড়াই প্রাথমিক বৃত্তির আংশিক ফলাফল ওয়েবসাইটে আপলোড

বিদেশে ৩৭১ দিন পর ওয়ানডে জয়ে সান্ত্বনা পেল বাংলাদেশ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ঘরের মাঠে যখন চমক দেখায় টাইগাররা, তখনই বিদেশে হতাশার ছায়া লেগে যায়—এই চিত্র এবারও একই ছিল। জিম্বাবুয়ে সফরের প্রথম দুই ওয়ানডে হারিয়ে সিরিজ আগেভাগেই হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। তবু শেষ ম্যাচে जीत দিয়ে ৩৭১ দিন পর বিদেশে ওয়ানডেতে জয়ের খরা কাটাতে সক্ষম হলো দলটি।

শেষবার ওয়ানডে জিতেছিল বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মাটিতে ২০২৫ সালের ৫ জুলাই; এরপর থেকে এই জয় ঘরের বাইরে অপেক্ষায় ছিল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশের পর জিম্বাবুয়ে সিরিজেও প্রথম দুটি ম্যাচে খোঁচা পেয়েছিল টাইগাররা, কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে তামিম-সৌম্যর ওপেনিং জুটিই আস্থা ফিরিয়ে দিল।

হারারাতে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া কাপ্তান মেহেদী মিরাজের সিদ্ধান্ত শুরুতেই স্ফূর্ত অর্জন দিল। খোলা শুরুতেই তাসকিন আহমেদ-শরিফুল ইসলাম জুট করে মাত্র ২৭ রানেই তিনটি উইকেট তুলে স্বাগতিকদের কড়া বার্তা দেয়। এরপর জিম্বাবুয়ের ছোট ছোট জুটির সহায়তায় মাধভেরে ও ইভান্সের ফিফটিতে দল সর্বশেষ ৪৮.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানে অলআউট হয়।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে শ্রেষ্ঠ ছিলেন শরিফুল ইসলাম—তার চার উইকেট। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম দুজনই দুটি করে উইকেট নেন। সাইফউদ্দিনও পেয়েছেন একটি।

২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে বাংলাদেশের ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ তামিম। তারা প্রথমেই ঝাপটে নেয় শক্তিশালী সূচনা, পাওয়ার প্লেতে প্রথম ১০ ওভারেই কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৯ রান তোলে দুই ওপেনার। সুযোগ না দিয়ে উভয়ে দ্রুত ফিফটি স্পর্শ করেন এবং তাদের ওপেনিং জুটি ১৫১ রানের যোগান দেয়—দলকে জয়ের চোখে এনে।

১৫১ রানের মাথায় সৌম্য ৬৯ বলে ৬৯ করে তানাকা চিভাঙ্গার বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। পরে তানিমের সঙ্গে যোগ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তানিম আগ্রাসী ছিলেন এবং শতকের খুব কাছে পৌঁছান; কিন্তু ৯৪ রানে তিন জনকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। দলের শেষ পর্যায়ে তাওহীদ হৃদয়ও আউট হন।

পাঁচে নামা নুরুল হাসান সোহান কিছু কাজ শেষ করেন; শেষ নখদর্পণে নাজমুল শান্ত ২৮ বলে ১৮ অপরাজিত থেকে দলকে নির্ভয়ে জেতান। বাংলাদেশের লক্ষ্যটিকে সফলভাবে টপকে আসে ৭ উইকেট হারিয়ে—৮৪ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে।

এই জয়ে হয়ত সিরিজ গৌরব হয়নি—কারণ প্রথম দুই ম্যাচ হেরায় সিরিজ ইতিমধ্যেই হাতছাড়া ছিল—তবু বিদেশে দীর্ঘদিন পর পাওয়া এই জয় দলের জন্য সান্ত্বনার মতো কাজ করবে। ওপেনিং জুটির শক্তি ও বোলিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবই ছিল ম্যাচের চাবিকাঠি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo