1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

স্কুল গেটের সামনে বাঁশ বিক্রি: শিশুসহ পথচারীদের জীবন বিপন্ন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারীর ব্রহ্মগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে ও আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে অনিয়মিতভাবে হাজার হাজার বাঁশ রেখে বিক্রি হচ্ছে। গেটের সামনেই ভ্যান, নসিমন ও ট্রাকে বাঁশ লোড-আনলোড হওয়ায় বিদ্যালয়ে যাওয়া কিশোর-কিশোরী ও পথচারীরা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। ইতোমধ্যেই সেখানে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানায়।

সড়কে নির্দিষ্ট ঠিকানা না রাখায় বাঁশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে; ফলে যানজট তৈরি হয় এবং অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবার গাড়ি নিরবচ্ছিন্ন গতিতে চলতে পারে না। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অফিসগামী কর্মীরা ও সাধারণ পথচারীরও ভোগান্তি বেড়ে গেছে। স্থানীয়রা বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে বড় দুর্ঘটনা ঘটবে বলে তারা ভয় পাচ্ছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে সবজি মৌসুমে চরবানিয়ারী ইউনিয়নের ব্রহ্মগাতি, দুর্গাপুর ও সন্তোষপুর ইউনিয়নের দড়িউমাজুড়সহ বিভিন্ন রাস্তার দুই পাশে বাঁশ রেখে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার কেনাবেচা হয়। এবছর ব্রহ্মগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে নতুন করে বাঁশ রাখা শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দিন-রাত রাস্তার ওপর বস্তাভরে বাঁশ ওঠানামা করা হয়, ফলে চলাচল ব্যাহত হয় এবং স্কুল চলাকালীন সময় গেটের সামনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে।

বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। শিক্ষার্থী জিসান শেখ ও স্বর্ণা ফরাজী জানান, মহাসড়কের ধারে তাদের স্কুল হওয়ায় গেট পার হওয়ার সময় তারা ভয় পায়। তাদের মতে, বড় গাড়ি থেকে ঝরানো বাঁশ বা লোডিং-আনলোডের সময় এগুলোকে টেনে-খিচে রাস্তা পার হতে হয়—এতে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা দাঁড়িয়ে থাকার জায়গা পাই না।

অভিভাবক সোহেল সুলতান ও মোঃ বশির ফরাজী বলেন, ‘‘স্কুল গেটের সামনেই বাঁশ ওঠানামা চললে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে সবসময় উদ্বিগ্ন থাকতে হয়।’’

প্রধান শিক্ষক শ্যামেলেন্দু গোলদার বলেন, ‘‘এভাবে স্কুল গেটের সামনে বাঁশ বিক্রি করায় শিশু শিক্ষার্থী এবং স্কুলের কর্মী-শিক্ষক সবাই বিপদে রয়েছেন। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।’’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, মহাসড়কের ধারের সরাসরি বাঁশ বাণিজ্য না করে নির্দিষ্ট কোনো বড় মাঠে বা হাট বসিয়ে ব্যবসা করার আহ্বান জানান তারা। এতে সড়কে যানজট কমবে এবং জরুরি সেবাগুলো বাধাগ্রস্ত হবে না বলে মনে করেন তারা।

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার জানান, تاک تاک নম্বরে স্কুল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিষয়টি জানায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও স্থায়ী সমাধান চান যাতে স্কুলগামী শিশু ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo