1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিশ্বকাপ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশে ১১ মৃত্যু; হাই কোর্টে রিট ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগে নোয়াখালীর তরুণ থানায় লিখিত আবেদন টানা বর্ষণে কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যু আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত আইরিন খান হলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল’ উত্থাপন, কমিটিকে তিন কার্যদিবসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ ডেল্টাগ্রাম জরিপ: ৭৫.৩% মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাজকে সন্তোষজনক মনে করছেন দেশের আদালতে ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৭৬টি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

এডিবি: ২০২৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপি ৪.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বলছে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে অর্থনীতি ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের দিকে এগোচ্ছে। সংস্থার ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) — জুলাই ২০২৬’ প্রতিবেদনে ২০২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আগামী ২০২৬ অর্থবছরের জন্য জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৩.৭ শতাংশ ধরা হয়েছে। এডিবি বলছে, ধারাবাহিক নীতিগত সংস্কার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নত হলে পরবর্তী বছরগুলোর প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হবে।

এডিবি’র বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা জানিয়েছেন, কঠিন বৈশ্বিক পরিবেশ ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের ধারাবাহিক কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করেছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এই ধারা ধরে রাখতে হলে ধারাবাহিক সংস্কার অপরিহার্য — বিশেষ করে সামষ্টিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা, আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করা জরুরি। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতা মজবুত করতে সহায়ক হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কঠোর সামষ্টিক আর্থিক পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স, সেবা খাতের সম্প্রসারণ এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক ঋণসহায়তা ২০২৬ অর্থবছরের বৃদ্ধি সমর্থন করবে।

এডিবি’র অনুমান অনুযায়ী ২০২৬ অর্থবছরের মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯.০ শতাংশ থাকতে পারে এবং পরিস্থিতি উন্নত হলে ২০২৭ অর্থবছরে এটি কমে প্রায় ৮.৮ শতাংশে নেমে আসবে।

সংস্থাটি আবারও বলেছে, মধ্যস্তরের মূল্যস্ফীতি বজায় রাখা, ব্যবসা পরিচালনার বিধিনিষেধ সহজ করা, সুশাসন উন্নয়ন, কর প্রশাসনের সংস্কার এবং রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত রাখলে ২০২৭ সালে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে। সেবা খাত অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং চলমান সংস্কারগুলো ব্যবসার পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা মধ্য মেয়াদে বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়াতে সাহায্য করবে।

শেষে এডিবি সংশ্লিষ্ট নীতিগত সংস্কার অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়ে বলেছে, প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বহিরাগত শক মোকাবেলায় দেশের স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে বিচক্ষণ সামষ্টিক নীতি ও ধারাবাহিক সংস্কারের বিকল্প নেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo