1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের ঐতিগত দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ঢাবি সম্পর্কে অবমাননার অভিযোগে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা ও ১০০ কোটি টাকা জমার নোটিশ ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি জুলাই হত্যার দৃশ্যমান বিচার ও সহায়তা দাবি শহীদ পরিবারদের বড় পর্দায় বিশ্বকাপ প্রদর্শন স্থলে পুলিশি নজরদারি জোরদার: ডিএমপি সরকার ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দিলো আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখানোর স্থানগুলোর নজরদারিতে থাকবে পুলিশ সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন অপহরণে অভিযুক্ত এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা

শেষ সুযোগ পেল চার ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান, ব্যর্থ হলে রেজল্যুশন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

টানা লোকসান, অনিয়ম এবং খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত দেশের চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুনভাবে পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে আগামী তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে; এই সময়ের মধ্যে চাহিদা পূরণ না হলে কঠোর রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তা জানানো হয়েছে। তিন মাসের বিশেষ সময়প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

টিকে থাকতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কী করতে হবে — বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে তাত্ক্ষণিকভাবে নতুন মূলধন যোগাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের অব্যবহৃত সম্পদ বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা সমঝোতার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় নামিয়ে আনতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ: সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জমা রাখা টাকা পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।

করোনা দেখিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক। একটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, গ্রাহকেরা প্রায়ই টাকা তুলতে গিয়ে ফিরে যান—অথবা দিনের পর দিন ভিড় করে তবুও টাকা পান না। নতুন আইনের আলোয় এবার তাদেরকে শেষবারের মতো সুযোগ দেয়া হচ্ছে; যদি তারা প্রতিশ্রুতি পালন না করে, তবে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেবে।

ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্টকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে তিন মাসের মেয়াদ শেষ হলে কোনো বিলম্ব না করে চূড়ান্ত রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা যায়—যেমন: ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা অবলুপ্তি।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নড়বড়ে খাতের ওপর কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে সহায়ক হবে। তবে একই সঙ্গে অনেকেই সন্দিহান যে মাত্র তিন মাসে এসব প্রতিষ্ঠান সত্যিকারের প্রয়োজনীয় মূলধন জোগাতে পারবে কি না। সময়ই নির্দেশ করবে তারা নিজেদের অঙ্গীকার রাখতে সক্ষম হবে কি না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo