1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

প্রতিবন্ধীদের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন জানিয়েছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অটিজম ও স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যা বিষয়ক সেলের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ফারজানা শারমীন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন কাজ করে আসছে; এখন লক্ষ্য এসব সেবা একটি সমন্বিত পদ্ধতিতে এনে সহজলভ্য করা। প্রথম ধাপে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অন্তত ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঐ পাইলট প্রকল্পগুলোতে শিক্ষা, সাধারণ ও বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ এককভাবে প্রদানের সুব্যবস্থা করা হবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের সক্ষম করে তোলা হবে এবং তারা যে পণ্য বা সেবা উৎপাদন করবে সেগুলোর বাজারজাতকরণেও সহায়তা করা হবে।

আন্তঃসমন্বিত ইনক্লুসিভ শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে একটি ‘মাস্টার সার্ভিস সেন্টার’ স্থাপনের পরিকল্পনাও আছে। সেখানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকবে—দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগ্রহীরা সেখানে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন এবং প্রশিক্ষণ শেষ হলে তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লিগ্যাল এইড কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে তারা আইনি জটিলতায় দ্রুত ও সহজে সহায়তা পেতে পারেন।

পারিবারিক বোঝা কমাতে এবং পরিবারের সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাইলট প্রকল্পে অভিভাবকদেরও আয়ের সুযোগ রাখা হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো অভিভাবক যদি সন্তানকে স্কুলে নিয়ে এসে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন, সেই সময়ে তিনি আয়মুখী কাজে যুক্ত হতে পারবেন; শিশুরা তখন চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

ফারজানা শারমীন উল্লেখ করেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে তাদের জীবনমান উন্নত করা ও পরিবারের উপর নেমে আসা মানসিক ও সামাজিক চাপ কমানো। এই লক্ষ্য দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রত্যেক মন্ত্রণালয় থেকে একজন করে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের আহ্বান জানান—যাতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সহজ হয় এবং সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত করা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo