1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

৪১৩ রানে অলআউট: জন্মদিনে সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত মুশফিক

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

মুশফিকুর রহিমের জন্য আজকের দিনটা ছিল বিশেষ—জন্মদিন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে সেই বিশেষ দিনে শতকের সামনে থাকার সুযোগ ছিল মুশফিকের, তবে সেঞ্চুরির আনন্দ ভোগ করতে পারলেন না। লাঞ্চে তিনি যখন ফিরে যান, তখন শতবরার থেকে ২৯ রান দূরে ছিলেন। লাঞ্চের পরই প্রথম ওভারেই শাহিন শাহ আফ্রিদির ফুল-লেন্থ ডেলিভারিতে অফ স্টাম্প উড়ে যাওয়ায় মুশফিক বিদায় নেন। তিনি ১৭৯ বলে ৭১ রানের একটি ধীরস্থির ইনিংস খেলেছেন, যার মধ্যে ছিল ৮টি চার। মুমিনুলের মতো সেঞ্চুরিবঞ্চিত হয়ে মাঠ ছাড়তে হল মোশফিককে।

টেল-এন্ডারদের সংযুক্তি বাড়ায় দল অধরাই থেমে যায়নি; শেষ পর্যন্ত টাইগাররা আরও ৩৩ রান যোগ করে ৪১৩ রানে অলআউট হয়। পাকিস্তানের তরফে মোহাম্মদ আব্বাস দলকে স্বস্তি দিলেন—তিনি পাঁচ উইকেট নেন। তারই বিরুদ্ধে রক্ষণভঙ্গ করে তাসকিন আহমেদ ১৮ বলে ঝড়ো ২৮ রান করে দলের শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন।

মিরপুরে দ্বিতীয় দিন শুরু হয়েছিল মুশফিক ও লিটন দাসের জুটিতে। আগের দিন মুশফিক ৪৮ এবং লিটন অপরাজিত ৮ রানে ছিলেন। দিনের চতুর্থ ওভারে মুশফিক হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ব্যাট উঁচিয়ে উদ্‌যাপন করেন। এরপর মোহাম্মদ আব্বাসের ওভারে লিটন দাস ৩৩ রানে আউট হন। মেহেদী মিরাজ বেশি সময় টিকতে পারেননি—১২ বল খেলে একটি চার ও একটি ছয়ে ১০ রান করেন। taিজুল ইসলাম ২৩ বল খেলেন ১৭ রানের দ্রুত ইনিংস।

বাংলাদেশের ইনিংসের ভিত্তিটা তৈরি হয়েছিল আগের দিনের নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের ১৭০ রানের জুটিতে। শুরুতে ৩১ রানে দুই উইকেটের ক্ষতি হয়েছিল—মাহমুদুল হাসান জয় ৮ ও সদমান ইসলাম ১৩ রানে ফিরেছেন। এরপর তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল ও শান্ত কড়া প্রতিরোধ গড়ে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং দ্বিতীয় সেশনে পুরোপুরি আধিপত্য দেখান।

বিরতির ঠিক আগে শান্ত তার টেস্ট ক্যারিয়ারে নবম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন—এটি তার ৭৪তম ইনিংসে পাওয়া সেঞ্চুরি। কিন্তু সেগুলো বেশি টেকেনি; পরে আব্বাসের গুড-লেন্থ ডেলিভারিতে ডিফেন্ড করতে গিয়ে তিনি এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন। শান্ত একটু আক্রমণাত্মক খেললেও মুমিনুল তুলনায় বেশি সংযত ছিলেন। শান্তের পর মুমিনুল ১০২ বলের মধ্যে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং আগের দিনের জমা সঙ্গে মিলিয়ে ৯১ রানে থেমে যান; তিনি ২০০তম বলের মোকাবিলায় নোমান আলীর বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন। মুমিনুলের ইনিংসে ছিল ১২টি চার।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪১৩ রানে অলআউট হয়ে যায়, যেখানে দলের বড় অংশটা গঠিত হয়েছিল শান্ত-মুমিনুলের জুটির ওপর। মোহাম্মদ আব্বাসের বোলিং ঝাঁকুনিতে পাকিস্তান ম্যাচে ফিরে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo