1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ‘নতুন সংগ্রামে’ নামার আহ্বান ১৭ বছরের ওয়াকিমুলের ‘এ টু আই স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত আইজিপির মত, সরকার পুলিশের প্রতি গভীর আন্তরিকতা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করছে ফখরুল, তামিম ও ফাতেমাসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক’ প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণের চমৎকার স্মার্ট কার কাপাসিয়ায় পরিবারের পাঁচজনের নির্মম হত্যাকাণ্ড বিরল মশাবাহিত রোগে সিভাসু’র অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা জুথির মৃত্যু ডিএনএ পরীক্ষায় ধরা পড়ল আসল পিতা, ধর্ষণ মামলায় বিনাদোষে কারাভোগ করেন ইমাম জাপানিজ এনসেফালাইটিসে সিভাসুর অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানার মৃত্যু

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৪১৩ রানে অলআউট পাকিস্তান, মুশফিকের জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

মুশফিকুর রহিমের জন্য আজকের দিনটি ছিল বিশেষ একটি দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। জন্মদিনের এই মুহূর্তে তার সামনে ছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহাকাব্যিক এক সেঞ্চুরির সুযোগ। তবে দিন শেষে সেটি আর হয় না, কারণ দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে তিনি ছিলেন ২৯ রান দূরে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই দূরত্ব কমানোর জন্য অনুশীলন করতে পারেননি মুশফিক। লাঞ্চের পর ফিরে প্রথম ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদির ফুল লেংথের ডেলিভারিতে তার অফ স্টাম্প উড়িয়ে খুঁজে যায় গেট। ১৭৯ বল খেলে ৭১ রান সংগ্রহ করেন তিনি, যেখানে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ব্যাটিং করেছেন।

অপর প্রান্তের টেলএন্ডাররা যোগ করে ৩৩ রান, যার ফলে বাংলাদেশের পুরো ইনিংস শেষ হয় ৪১৩ রানে অলআউট হয়ে। আবাদত হোসেন মোহাম্মদ আব্বাসের পঞ্চম শিকার হন, এরপর তাসকিন আহমেদ ঝড়ো প্রতিষ্ঠিত ইনিংস খেলেন। তিনি ১৮ বলে ২৮ রান করে এক ঝড়ো ব্যাটিং উপভোগ করেন এবং আউট হন শেষ ব্যাটার হিসেবে।

মিরপুরে এই দিনের শুরুতে, মুশফিকুর রহিম লিটন দাসের সাথে খেলছিলেন। আগের দিন মুশি ৪৮ ও লিটন ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিন সময়ের প্রথম চতুর্থ ওভারে মুশফিক হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং উদ্‌যাপন করেন ব্যাট উঁচিয়ে। মোহাম্মদ আব্বাসের ওভারে লিটন ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হন। এরপর মেহেদী মিরাজ খুব বেশি সময় স্থায়ী হতে পারেননি, ১২ বলে ১০ রান করে মাঠ ছাড়েন। তাইজুল ২৩ বলে ১৭ রানে দ্রুত ইনিংস খেলেন।

বাংলাদেশের ইনিংসের অন্যতম ভিত্তি ছিল আগের দিনের ১৭০ রানের জুটিতে— নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের মধ্যে। প্রথমে ৩১ রানে দুই উইকেট হারানো দলটির বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তারা। তারা বিরতির ঠিক আগে শান্ত ৭৪ ইনিংসের টেস্ট ক্যারিয়ারে তার নবম সেঞ্চুরি পূরণ করেন। তবে এরপর শান্ত আর টিকতে পারেননি, আব্বাসের গুডলেংথের ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ত্যাগ করেন। শান্ত আক্রমণাত্মক হলেও মুমিনুল ধীরেসময়ে ব্যাটিং চালিয়ে যান।

টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে শান্ত ১০২ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন, যেখানে তিনি ১২টি চার হাঁকান। সেঞ্চুরিটাও পেয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু ২০০তম বল মোকাবিলার সময় নোমান আলীর এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে বাইরে যান। মুমিনুল হয়ে আসেন ৯১ রানের ইনিংসসহ ১২টি চার। এই প্রত্যয়ী ব্যাটসম্যানরা পাকিস্তানের ওপর চাপ তৈরি করেন, যাতে তাদের প্রতিরোধ আরো জোরদার হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo