1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ‘নতুন সংগ্রামে’ নামার আহ্বান ১৭ বছরের ওয়াকিমুলের ‘এ টু আই স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত আইজিপির মত, সরকার পুলিশের প্রতি গভীর আন্তরিকতা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করছে ফখরুল, তামিম ও ফাতেমাসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক’ প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণের চমৎকার স্মার্ট কার কাপাসিয়ায় পরিবারের পাঁচজনের নির্মম হত্যাকাণ্ড বিরল মশাবাহিত রোগে সিভাসু’র অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা জুথির মৃত্যু ডিএনএ পরীক্ষায় ধরা পড়ল আসল পিতা, ধর্ষণ মামলায় বিনাদোষে কারাভোগ করেন ইমাম জাপানিজ এনসেফালাইটিসে সিভাসুর অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানার মৃত্যু

শান্তের সেঞ্চুরিতে দুই ‘ব্র্যাডম্যান’ পেছনে ছুটে থাকলেন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

ফিফটিকে কিভাবে সেঞ্চুরিতে রূপান্তর করা যায়, সেটা খুব ভালো করেই জানেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেশিরভাগই যখন নার্ভাস নাইনটিতে কাঁপতে থাকেন, তখন শান্ত ব্যতিক্রম। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ফিফটির চেয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যা অনেক বেশি। এই রেকর্ডে তিনি কিংবদন্তি স্পিনার স্যার ডন ব্র্যাডম্যান ও অজি তারকা জর্জ হেডলিগের সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন।

মিরপুরে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই শান্ত একটি দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন। এটি তাঁর নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। বিপরীতে, ফিফটির সংখ্যা ছিল পাঁচ। বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটারের ফিফটিকে সংক্ষিপ্ত করে সেঞ্চুরিতে রূপান্তর করার হার ৬৪.২৯ শতাংশ, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান, যিনি ২৯টি সেঞ্চুরি ও ১৩টি ফিফটি করে এই হার শুন্য দশমিক ৬৯৫।

শান্তের সঙ্গে তুলনায়, জর্জ হেডলি (ব্ল্যাক ব্র্যাডম্যান) ৬৬.৬৭ শতাংশের হার নিয়ে তালিকার অন্য অভিজাতরা। এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার ফিফটি থেকে সেঞ্চুরি রূপান্তর করেন বেশি, এই হার ৬৯.০৫। অন্যদিকে, ভারতের শুবমান গিল ও শিখর ধাওয়ান, যাঁরা দুজনেই ‘ব্র্যাডম্যান’ তকমার অধিকারী, তাঁদের হার যথাক্রমে ৫৮.৩৩ ও ৫৫.২৬ শতাংশ।

মিরপুরে আজ টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। শান্ত যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছেন, তখন বাংলাদেশের স্কোর ১০.১ ওভারে ২ উইকেটে ৩১ রান। মুমিনুল হকের সঙ্গে ধীরেসুস্থে ব্যাট করছিলেন তিনি, ভালো বলের সমীহ করে সেটিকে চারে রূপান্তর করেন। ১২৯ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫৩তম ওভারে মোহাম্মদ আব্বাসের প্রথম বলে চারটি মারার মাধ্যমে তিন অঙ্ক স্পর্শ। এরপর হেলমেট খুলে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁদের এই যাত্রায় দেখা যায় শান্তের স্বভাবসুলভ চুমুর উল্লাস।

সেঞ্চুরি করার ঠিক পরই, ১৩০ রান করে শান্ত আউট হন। ৫৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তাঁকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ান আব্বাস। তাঁর অবদান ছিল ১৩০ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১০১ রান। এই জোড়া সেঞ্চুরির কীর্তি তার দুইটি টেস্টে, যার মধ্যে ২০২৩ সালে মিরপুরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৪৬ ও ১২৪ রান করে ছিলেন। এরপর, দুই বছর পরে, গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৪৮ ও দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১২৫ রান করেন। আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই দুটি টেস্টে তিনি ম্যাচসেরা হয়েছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo