1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় বুধবার রাতে গুলোধর্ষণে নিহত হন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। পুলিশের বরাতে দেশীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হৃদয়বিদারক এই ঘটনার সময় তাঁর মাথায় পরপর তিনটি গুলি নোট করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের সময় চন্দ্রনাথের গাড়িকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। দুর্বৃত্তরা গাড়ির পিছু নিয়ে দোহাড়িয়ার একটি স্থানে পৌঁছালে অন্তত চারটি রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় তার সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব বেরা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

চন্দ্রনাথ রথ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলেও উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে বসবাস করতেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য অনুযায়ী তিনি শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের ভরসা ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন—২০১৮ সাল থেকে অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন এবং শুভেন্দুর ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক সব কাজকর্ম, যোগাযোগ ও সভা-সমাবেশের তদারকি করতেন।

সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনায় চন্দ্রনাথর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ন। এই মুহূর্তে শুভেন্দুর রাজনৈতিক অবস্থান ও দলের পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র আলোচনা—সেই প্রেক্ষাপটে তার ঘনিষ্ঠ সহকারীর ওপর এই হামলার ফলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পরিকল্পনার কথা অনেকে উল্লেখ করছেন।

ঘটনার পর দ্রুত পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে। গুলিবিদ্ধ যানবাহন উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

খবর পেয়ে বিজেপির একাধিক নেতা ও বিধায়ক ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে ছুটে বেড়ান। তারা আহত এবং নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রাথমিক বিবরণ সংগ্রহ করেন; অনেকে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, বিশেষ করে দ্বিতীয় দিক থেকে গুলিবর্ষণের মতো ঘটনায় জনজীবন অস্থির হয়ে পড়েছে। পুলিশ পুলিশের ওপর চাপা দেয়ার পাশাপাশি এলাকায় পর্যাপ্ত চেকপোস্ট স্থাপন ও তল্লাশির কাজ বাড়িয়েছে।

প্রসঙ্গক্রমে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করতেই তদন্ত চলছে। পুলিশ সম্ভব প্রমাণ সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ, মুঠোফোন কল রেকর্ড ও সានিনদের বয়ান যাচাই করছে। ঘটনার সব দিক পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা মন্তব্য করা হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo