1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা মেহেরপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। আজ রোববার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আশা ভোঁসলের মৃত্যুর খবর তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আশা ভোঁসলে অসুস্থ অনুভব করেন। পরে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তখনই দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরে রোববার দুপুরে তিনি চিরতরে চলে যান। ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ভারতের সংগীত জগতে এক অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। কেরিয়ার শুরু থেকেই তিনি একাধারে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, আধুনিক গান, গজল ও ক্যাবারে পরিবেশনায় দক্ষতা অর্জন করেন। তার কণ্ঠের প্রতিটি গান আনাড়ি থেকে শুরু করে প্রজন্মের প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে। তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে হিন্দি, বাংলা ও আরও বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গান গেয়েছেন, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে তাজা স্মৃতি হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে কবিতা, গূঢ় গানের জন্য তাঁর নাম আজও জ্বলজ্বল করে। আশা ভোঁসলে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, “আশা ভোসলেজি হাসপাতালে ভর্তি শুনে আমি গভীর চিন্তায় ছিলাম। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।” তার দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীত জগতে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। দেখে নেওয়া যায়, তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ পদ্মবিভূষণ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ারের সূচনা থেকে শুরু করে আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সংগীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আ বো তো আজা’ ও ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’— যা এখনও সংগীতপ্রেমীদের মনে দাগ কেটে আছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে পরিচিত। তাঁর অনবদ্য সংগীতের অবদান এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই অমর হয়ে রয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo