1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

২ কোটি ১৯ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ১৪ জুলাই

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১৮

১৪ জুলাই শনিবার ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২ কোটি ১৯ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রংয়ের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সারাদেশে ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ২৫ লাখ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ১ কোটি ৯৪ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কাচি দিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভেতরে থাকা তরল ওষুধ চিপিয়ে শিশুকে খাওয়ানো হবে। ’

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ছাত্র-শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ সবার সার্বিক সহযোগিতায় দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরও ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড, লঞ্চ ঘাট, ফেরি ঘাট, ব্রিজের টোল প্লাজা বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু ব্রিজ, দাউদকান্দি ও মেঘনা ব্রিজ, বিমানবন্দর, রেল স্টেশন, খেয়া ঘাট ইত্যাদি স্থানে অবস্থান করবে। তবে দুর্গম এলাকা হিসেবে ক্যাম্পেইন পরবর্তী চার দিন (১৫ -১৯ জুলাই) ১২টি জেলার ৪২টি উপজেলার ২৪০টি ইউনিয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের সার্চিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

অভিভাবকদের সতর্ক করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘শিশুদের অবশ্যই ভরা পেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। জোড় করে বা কান্না করার সময় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো ঠিক হবে না। এছাড়া ৬ মাসের কম বয়সী ও ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকেও ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনও ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না। ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ালে কোনও শিশু অসুস্থ হয় না। ভিটামিন এ শিশুদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে, শিশুর মৃত্যুর হার কমায় ও শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করে। এছাড়া ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও হামের জটিলতা কমায়। তবে কোনও অবস্থায়ই অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন না।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo