প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব কড়া কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটি তাদের ভূখণ্ডে একাধিক হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তেহরানভুক্ত এক সামরিক অ্যাটাশে ও দূতাবাসের আরও চার কর্মীকে ‘পারসোনা
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ জেরুসালেমে মুসলিমদের সবচেয়ে সংবেদনশীল ধর্মীয় কেন্দ্র। কিন্তু ১৯৬৭ সালের পর বসে এমন পরিস্থিতি বিরল—রমজানের শেষ দিকে এ মসজিদ প্রথমবারের মতো কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ঈদুল
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘর্ষ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতি গুরুতর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চালু থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ, যা জেরুসালেমের মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ন স্থান, রমজানের শেষ দিকে প্রথমবারের মতো ১৯৬৭ সালের পর এভাবে জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ রাখা হলো। ঈদুল ফিতরের দিনে মসজিদে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয় সপ্তাহে জোরালো সংঘাত চলা অবস্থায় বিশ্ব তেলবাজারে অস্থিরতা তীব্রতর হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চালানোর মধ্যেই আন্তর্জাতিক কাঁচামাল বিক্রিতে বিশাল শঠতা দেখা দিয়েছে —
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ—জেরুসালেমের মুসলিমদের জন্য সবচেয়ে সংবেদনশীল ধর্মীয় স্থান—রমজানের শেষ দিকে এই প্রথম একাধিক দিন বন্ধ রাখা হলো। ফলে ঈদুল ফিতরের প্রধান দিনে বহু মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি এবং
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘটিত সহিংসতার তৃতীয় সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে তেলবাজারের অস্থিরতা তীব্র রূপ নিয়ে উঠেছে। সামরিক সংঘর্ষের মাঝেই ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি ১১২ ডলারে পৌঁছেছে এবং মাত্র তিন সপ্তাহে তেলের দাম
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমের সবচেয়ে সংবেদনশীল ধর্মীয় কেন্দ্রগুলোর একটি। কিন্তু চলতি বছরের রমজানের শেষ দিকে—১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো—এই মসজিদটি বন্ধ রাখা হয়। ফলে ঈদুল ফিতরের দিন অনেক মুসল্লিই মসজিদের
ইসরায়েলের দাবি যে তেহরানের এখন আর ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের ক্ষমতা নেই—তার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি বলেছেন, তেহরান এখনও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ জেরুসালেমে মুসলমানদের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ধর্মীয় স্থান। এবার রমজানের শেষ দিকে মসজিদটি বন্ধ রাখা হয়—এটি ১৯৬৭ সালের পর এমন ঘটনা। ফলে ঈদুল ফিতরের দিন অনেক মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ