জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের দাবি সহ মোট পাঁচ দফা মূল প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে, যা নিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী আগামী তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলের নেতা ও নেত্রীবৃন্দের
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির, প্রবীণ ইসলামী চিন্তাবিদ আলামা শাহ মুহিব্বুলাহ বাবুনগরী বলেছেন, যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তাহলে ইসলামের মূল আস্থা ও ভিত্তিকে ধ্বংস করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যকরি পরিষদের সহকারী সচিব ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর একটি বিবৃতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুরানো পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের কর্মসূচি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এই আলোচনায় দুটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। একটি হলো, কিছু বিষয় সংবিধানের
আজ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আলটিমেটাম দেন। ফারুক হাসান বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করতে চাই—আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি
হেফাজত ইসলামের আমির এবং প্রবীণ ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, যদি কখনও আওয়ামী লীগ সরকারে আসে, তবে ইসলাম পন্থী দেওবন্দী কওমী মাদ্রাসা ও আধ্যাত্মিক সুন্নি ধারার (আলীয়া ও
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, যদি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয়, তাহলে এটি জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তিনি আরও
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এই আলোচনা দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে, যার একটি হলো সংবিধানের
জাতীয় নির্বাচনের জন্য সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পাঁচ দফা গণদাবি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা দেয়া