বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সঙ্গে সবুজ এবং টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার গুরুত্ব আরোপ করেছেন। রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তিনি দ্রুত দেশের মাটিতে ফিরে আসবেন এবং আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। আজ সোমবার বিবিসি বাংলার বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। দীর্ঘ প্রায়
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যারা জামায়াতের সাথে যুক্ত হয়ে এখন আন্দোলন করছে, তাদের ২০২৪ সালের নির্বাচনে কী ভূমিকা ছিল, তা জাতি স্পষ্টভাবে জানতে চায়। সোমবার (০৪ অক্টোবর)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশে ৯০.৮ শতাংশ মানুষ মুসলমান। অন্যরা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মের
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নতুন ইস্যু তৈরি করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-অ্যাবের নতুন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান বিভিন্ন বাম জোটগুলোকে আরও শক্তিশালী ও একত্রিত করার জন্য আলোচনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫৬ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে খেলাফত মজলিস। শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় দলের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল
গণঅধিকার পরিষদে সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান দাবি করেছেন, জামায়াত ও শিবিরের নানা অন্য দলগুলিতে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার রাজনীতির কারণে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি শুক্রবার
বাংলাদেশি রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ গুরুত্ব সহকারে চোখে পড়ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এর কথা। তিনি বলেছেন, খুব শিগগিরই প্রতিটি নির্বাচনী আসনে একক প্রার্থী হিসেবে ‘গ্রীন সিগন্যাল’ দেওয়া হবে।
সারা বিশ্বে মুসলমানদের মধ্যে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সহকারী মহাসচিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ফিলিস্তিনসহ এই অঞ্চলের মুক্তি এবং স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাশে