মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এখন দ্বিতীয় মাসে প্রবেশ করেছে এবং পরিস্থিতি ক্রমশই আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে। গত মাসের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে ভারতের সরকার জানিয়েছে,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবার বড় আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ‘নো কিংস’ সংগঠন। আয়োজকরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন শহরে একই দিনে পরিব্যাপ্ত বিরাট বিক্ষোভ হবে। সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তাদের প্রতিশোধমূলক হামলায় ৫০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। এই তথ্য জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম, যেখানে উদ্ধৃত করা হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারো ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি নিয়ে বড় আন্দোলনের ডাক দিলেন প্রতিবাদকারীরা। আন্দোলনের নাম ‘নো কিংস’। আয়োজকরা জানান, এই শনিবার সারাদেশে ৩ হাজারেরও বেশি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। তারা বলছেন, এটি
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে। লেবাননের পর এবার ইয়েমেন থেকেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আছড়ে পড়ার হুমকি ও কর্মকা- পরিলক্ষিত হয়েছে, যা যুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুদ্ধের
ইরানের সশস্ত্র বাহিন্যের এক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র বলেছেন, পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই দাবি করেছে আইআরজিসি‑সংশ্লিষ্ট মেহর নিউজ এজেন্সি। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে
ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার খবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট শিল্প ও অবকাঠামোতে সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার ব্যাপারে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা লেগে আছে। রাশিফলে তেলের মূল্য ওঠানামা ও এলপিজি সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্বেগের প্রভাবে এই অনৈচ্ছিক চাপ ভারতের ওপরও পড়তে শুরু করেছে। এই
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র বলেছেন, পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই দাবি ইরান সমর্থিত মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে উদ্ধৃত করা হয়েছে।
একদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে বিরতির জন্য শান্তি আলোচনা করার কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প; অন্যদিকে পেন্টাগন যুদ্ধের বিকল্প হিসেবে আরও কড়া সামরিক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের