জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বলেছেন, ন্যূনতম কর আইন একটি কালো আইন। তিনি উল্লেখ করেন, এই আইনটি ব্যবসায় ও করসংক্রান্ত জটিলতা বাড়িয়ে তোলে। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার দিনের শেষে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১.৩৩ বিলিয়ন ডলারে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ)
নার্বিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বলেছেন, ন্যূনতম কর আইনটি একটি কালো আইন হিসেবে বিবেচিত। তিনি এই মন্তব্য করেন রাজধানীর গুলশানে এক সংলাপে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। এ
তিন বছরের মধ্যে দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি মোটেও উন্নতি হয়নি, বরং তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ, যা সরকারী হিসাব অনুযায়ী ২০২২ সালে ছিল
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার দিনের শেষে বাংলাদেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১।৩৩ বিলিয়ন ডলারে, যা বেশিরভাগ সময়ের চেয়ে বেশি। একই সাথে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত মোট ১.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর প্রধান
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে যে নগদটি ডাক বিভাগের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, তা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, কারণ ডাক বিভাগের পক্ষে এখন এটি চালানো সম্ভব নয়। সরকার মনে করছে, নগদের
ন্যূনতম কর আইনকে তিনি একেবারেই কালো আইন বলছেন। এ বিষয়ে সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বলেন, ন্যূনতম কর নিয়ে অনেক সমালোচনা শুনেছি। সত্যি বলতে, এটি
তিন বছরের ব্যবধানে দেশের দারিদ্র্য হার কোনো উন্নতি না হওয়ার পরিবর্তে বরং আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার প্রায় ২৮ শতাংশ, অর্থাৎ ২৭ দশমিক ৯৩। গত ২০২২ সালে সরকারের
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও সক্রিয় হয়ে ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার সন্ধ্যার পর দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রের তথ্যানুযায়ী, গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১.৩৩ বিলিয়ন ডলার। একইসময়, আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থার