1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আইনমন্ত্রী জানালেন—আদালতে বিচারাধীন ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৭৬টি মামলা প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আকস্মিকভাবে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন দেশের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় জাহের আলভীর জামিন নামঞ্জুর কক্সবাজারে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস কক্সবাজারে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি—রাতভর উদ্ধার অভিযান চলছে অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি: চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শোকজ

১৪২ তাড়া করতে গিয়ে হোঁচট, জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

হারারেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪১ রানের জবাব দিয়েই অলআউট হলো জিম্বাবুয়ে; তবু ছোট লক্ষ্যে ব্যর্থ হলো বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ করে পরাজিত দলকে ২৫ রানের ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং শুরুটা ভালো হয়েছিল—ওপেনার বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেট জুটি গড়ছিলেন। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজের চমৎকার থ্রোতে কারান রান আউট হলে ৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায়। সরাসরি প্রতিক্রিয়ায় তাসকিন আহমেদের বলে বেনেটও ফিরে যান। এরপর থেকে বাংলাদেশের পেসারদের চাপের কাছে জিম্বাবুয়ের middle ও lower অর্ডার হাবড়ে পড়ে।

নাহিদ দুর্দান্ত বোলিং করে রণপরাঙ্গনে নামেন—তিনি ক্রমে উইকেট তুলে নিয়ে দলকে বিপর্যয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদানধে ও ইনোসেন্ট কাইয়ারার মতো ব্যাটাররা তার গতি ও বাউন্স সামলাতে পারেননি। কাইয়ারা ৩৯ বলে ২৬ রান করে ফেরেন, আর এনগারাভা ও নিউম্যানও বড় অবদান রেখেছিল—নিউম্যান ছিল দলের সর্বোচ্চ ৩৩ রানে। নাহিদের বোলিংই মূল অবলম্বন ছিল; ইনিংসে তার ষষ্ঠ উইকেট ছিল ক্যারিয়ারসেরা বোলিং, এবং এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তৃতীয় ফাইফার। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে মাত্র মোস্তাফিজুর রহমানের চেয়ে বেশি ফাইফার আছে।

জবাবে বাংলাদেশ নামলে শুরু থেকেই টানাপোড়েনে পড়ে। দ্বিতীয় ওভারেই তানজিদ হাসান তামিম ফিরেন—তিনি ৬ বলে ৮ রান করেন। ওপেনিং পর্ধ্যেক সৌম্য সরকারও সফল হননি; মাত্র ১০ বল খেলে ৬ রান করেন তিনি। দুই ওপেনারের তাড়াতাড়ি পতনের পর দলের ওপর দায়িত্ব আসে নাজমুল হোসেন শান্তের কাঁধে, কিন্তু অভিজ্ঞ এই ব্যাটারও ব্যাটিংয়ে থিতু হতে পারেননি এবং মাত্র ৭ বলে ৩ রান করে ফিরেন।

ওই ত্রয়ী পতনের পর ১৭ রানে ৩ উইকেট হারানো দলের অবস্থার খারাপই বলতে হবে। তখন তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান ৪৯ রানের জুটি গড়ে সাময়িক স্থিতি ফিরিয়ে দেন। হৃদয় ৫৮ বলে ২৫ করে ফেরেন। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত বড় শট নেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু ৭ বলে ৩ রানে আউট হন। পরে মেহেদী হাসান মিরাজও ১০ রানের বেশি করতে পারেননি, এবং সোহান ৪৪ বলে ৩১ করে ফিরতে হয়। সোহান ফেরার পর আর কেউ লাইন ধরতে পারেনি—অবশেষে বাংলাদেশ ৩৩.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৬ রানে অলআউট হয়।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যর্থতা ও ক্রীড়াবিদিক চাপ মিশিয়ে বাংলাদেশ হার মানে গেল। জিম্বাবুয়ে ২৫ রানের এই জয়ে সিরিজে ১-০ এগিয়ে রইল। বাংলাদেশকে এমন ছোট লক্ষ্যে আরও ধারাবাহিক ও তীক্ষ্ণ ব্যাটিং দরকার—বিশেষ করে ওপেনিং-টপ অর্ডারে—না হলে ভবিষ্যতে ছোট লক্ষ্যে ম্যাচ হারার ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo