1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের ঐতিগত দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ঢাবি সম্পর্কে অবমাননার অভিযোগে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা ও ১০০ কোটি টাকা জমার নোটিশ ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি জুলাই হত্যার দৃশ্যমান বিচার ও সহায়তা দাবি শহীদ পরিবারদের বড় পর্দায় বিশ্বকাপ প্রদর্শন স্থলে পুলিশি নজরদারি জোরদার: ডিএমপি সরকার ১৫০ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দিলো আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখানোর স্থানগুলোর নজরদারিতে থাকবে পুলিশ সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন অপহরণে অভিযুক্ত এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার আযমীসহ ১৫০ প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা

রামমন্দির কেলেঙ্কারির রেশ কেটে বদ্রীনাথে দানবাক্সের টাকা চুরির অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

অযোধ্যার রামমন্দিরে দানবাক্স কেলেঙ্কারির সুর ছাড়তে না দিয়েই উত্তরাখন্ডের ঘনিষ্ঠ তীর্থস্থান বদ্রীনাথ ধামে ভক্তদের দানকৃত অর্থ চুরির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে মন্দির ও স্থানীয় সমাজে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (বিকেটিসি) গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) জরুরি আদেশে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনারও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বক্তারা অভিযোগের তীব্রতা ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতা বিবেচনায় দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

বিকেটিসির সভাপতি হেমন্ত দ্বিবেদী বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো চুরির অভিযোগকে মন্দির কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।

স্থানীয় সংগঠন ‘ভৈরব সেনা’ শুক্রবার জনসমক্ষে এই আর্থিক অনিয়মের কথা তুলে ধরে অভিযোগ করে যে, মন্দির কমিটির সভাপতির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। ভৈরব সেনা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

হেমন্ত দ্বিবেদী অভিযুক্ত কর্মচারীকে নিজের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, ওই ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী নন, বরং শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির একজন নিয়মিত (সরকারি) কর্মচারী। একই কর্মচারী আগে মন্দির কমিটির তিনজন সাবেক সভাপতির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানানো হয়।

বিক্ষুব্ধ ভক্তদের আশ্বস্ত করে দ্বিবেদী বলেছেন, তদন্তে যদি কোনো কর্মচারী বা কর্মকর্তা দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে ‘শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি আইন, ১৯৩৯’ ও কর্মচারী আচরণবিধি অনুযায়ী শক্তিশালী এবং কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহান সিং রাঙ্গড় মিডিয়াকে জানান, চোরের অভিযোগ সামনে আসার পর মন্দির প্রাঙ্গণের সব সিসিটিভি ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। তবে ক্যামেরার ফুটেজগুলো স্পষ্ট নয়, যা তদন্তে কিছু সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। তবু পুরো বিষয়টির সংবেদনশীলতা এবং কোটি কোটি ভক্তের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত ও যত্নসহকারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সভাপতির নির্দেশনায় অভিযুক্ত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং একটি নিরপেক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিটি গঠন হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের জবানবন্দি নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা করবে। তদন্তে জালিয়াতি বা আর্থিক অনিয়ম প্রমাণিত হলে নির্দিষ্ট বিভাগীয় ও আইনি মামলা দায়ের করা হবে বলে বলা হয়েছে।

সোহান সিং রাঙ্গড় আরও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন যে, নিখুঁত তথ্য ছাড়া ইন্টারনেটে অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে তা ভক্তদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত পৌঁছে দিতে পারে। তাই সঠিক তদন্তের পরই সংবাদ প্রকাশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটির সঙ্গে সম্পর্কিত তদন্ত এখনও চলমান। মন্দির কর্তৃপক্ষের করা ঘোষণা ও তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল হতেই বলছেন সংশ্লিষ্টদের অনেকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo