1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পিতা-মাতা ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড মন্ত্রী: পরিকল্পিত মাটি অপসারণ, পদ্মা রেলসেতুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত মিলেমিশে থাকা বাংলাদেশের মানুষের আদি মূল্যবোধ জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয়ের তদন্ত নির্দেশ জ্বালানিতে সহায়তা বাড়ালো জাপান, নৌবাহিনী পাচ্ছে ৫টি প্যাট্রোল বোট জুনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক পূর্বাচলে ৪ থানা, ৬ তদন্তকেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ৩৮ জেলায় আইসিইউ নেই, গ্রামীণরা চিকিৎসা বঞ্চিত: ডা. জুবাইদা রহমান

বিশ্বকাপ চলাকালেই ইসরায়েলি গুলিতে গাজার গোলরক্ষকের মৃত্যু

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের উত্তেজনা চলছে, তবু গাজার এক তরুণ গোলরক্ষকের জীবনের খেলা হঠাৎই থেমে গেল। সেলিম খাদের আল-আশকারকে আর কখনো মাঠে দেখা যাবে না, তার ভাঙা পরিবারের কণ্ঠে এখন শুধুই শোক আর বন্ধ হয়ে যাওয়া স্বপ্নের বর্ণনা।

গত সোমবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনুসের উত্তর-পূর্বে আল-কারারা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন ৩২ বছর বয়সী গোলরক্ষক সেলিম। তিনি স্থানীয় ক্লাব খাদামাত খান ইউনুসের হয়ে গোলবার রক্ষার দায়িত্ব পালন করতেন এবং আগে আল-আকসা ও আল-মুসাদ্দার স্পোর্টস ক্লাবেও খেলেছেন।

ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং সংবাদসংস্থা ওয়াফার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সেলিম ওই এলাকায় অবস্থানকালে সরাসরি হামলার শিকার হন। তার আকস্মিক মৃত্যু স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় এক ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ব্যক্তিগত জীবনে সেলিম নতুন করে জীবন গড়ার পথে ছিলেন — মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন এবং খুব শীঘ্রই প্রথম সন্তানের বাবা হওয়ার আশা ছিল। সাত ভাইবোনের মধ্যে তিনিই একমাত্র ছেলে; তার অকাল মৃত্যু পরিবারের জন্য অপূরণীয় শোক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনা ফিলিস্তিনি ক্রীড়াঙ্গনে চলমান পরিণতির ছবিটিকে আরও সংকীর্ণ করেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত সংঘর্ষে ১,০০৯ জন ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছে, যাদের মধ্যে ৫৬৭ জন ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত বলে রিপোর্ট করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপের জমজমাট আসর—যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে—এই দ্বন্দ্বগ্রস্ত এলাকার মানুষের জীবনের বাস্তবতার তুলনায় এক গ্রহের মতো দূরে থেকে গেছে। গাজায় বিদ্যুৎহীনতা, বারবার বাস্তুচ্যুতি ও অবিরাম হামলায় অনেকে তো মরার রেস্তে, ফুটবল খেলা বা কোনো ম্যাচ স্বাভাবিকভাবে দেখতে পারছে না।

স্থানীয় ফুটবল কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম সেলিমকে চলমান সংঘাতের আরেক শিকার হিসেবে বর্ণনা করে গভীর শোক জানিয়েছে। খান ইউনুসে তার জানাজায় উপস্থিতরা বলেছে, খেলার মাঠের আলো নির্বিচারে নিভে যাওয়ার মতো এই মানবিক বিপর্যয়ের দিকে আন্তর্জাতিক সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজন এখন আগের চেয়ে বেশি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo