শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা যা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাবলিক পরীক্ষাগুলোর মধ্যে অন্যতম, তার উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন।
সময়সূচি ঘোষণা এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সময়, শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে বলেন, বর্তমানে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার ফলাফলের পর শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট ফি দিয়ে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে, পুরনো পদ্ধতিতে কেবলমাত্র নম্বর গণনা করা হয়, তার উত্তরপত্রের নিরীক্ষা বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ নেই।
একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেক ভালো শিক্ষক কিন্তু খাতা নিতে চান না কারণ তাদের সম্মানি কম। গত বছর ঢাকাবোর্ড সামান্য কিছু বাড়িয়েছিলেন, তবে তা এখনো খুবই কম। তিনি বলেন, অবশ্যই এর মধ্যে একটি উৎসাহের বিষয় থাকে, কারণ আমাদের পরীক্ষকরা সত্যিই কম। এই কারণে, শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, তারা পরীক্ষকদের সংখ্যা বাড়ানোর কাজ করছেন এবং নিয়মিত ট্রেনিং দিচ্ছেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে ইতিমধ্যে প্রাবধান থাকবে বিনামূল্যে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের। এই আইনটি এখন আসন্ন সংসদে পাস হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে, মূল্যায়ন পদ্ধতিকে আরও স্বচ্ছ, বৈচিত্র্যহীন এবং গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষার মান আরো বৃদ্ধি পাবে এবং পরীক্ষকগণের সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে এই সিস্টেম আরো আধুনিক এবং ফলপ্রসূ হবে। তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করছি যে, সঠিক এবং ইউনিভার্সাল মূল্যায়ন পদ্ধতি নিশ্চিত করতে সব রকমের ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে।