দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে, পাশাপাশি কিছু কিছু এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি বা বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া বিভাগের জরুরি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিন (১১ মে পর্যন্ত) এ পরিস্থিতি বজায় থাকবে।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে একটি বর্ধিত লঘুচাপের অংশ, যা এই তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির প্রধান কারণ। এই অবস্থায়, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত পর্যন্ত ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎচমক ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি পর্যন্ত হতে পারে। অন্য এলাকাগুলিতে আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকতে পারে, তবে বেশিরভাগ সময় আকাশ শুষ্ক থাকবে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, লক্ষ্মীপুরসহ রাজশাহী বিভাগের নানা এলাকায় মাঝারি থেকে মৃদু তাপপ্রবাহ চলমান, যা অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত পর্যন্ত ঢাকাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়া, বজ্রঝড় ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে, তবে আবহাওয়া বেশিরভাগটাই শুষ্ক থাকতে পারে। এই সময়েও সারাদেশে তাপমাত্রার পরিবর্তন খুব বেশি হবে না।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ও রবিবার (২৬ এপ্রিল) একইরকমভাবে বিভিন্ন বিভাগে অস্থায়ীভাবে হালকা থেকে মাঝারি ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বেশি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সার্বিকভাবে, পঞ্চদিনের জন্য আবহাওয়া বিশেষ করে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষি, যানবাহন ও সাধারণ জীবনে সতর্কতা অবলম্বন করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মানুষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।